ঢাকা, বাংলাদেশ   শনিবার ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১

স্পার্সদের হারিয়ে চেলসির স্বস্তি

স্পোর্টস রিপোর্টার

প্রকাশিত: ০১:২৫, ৫ এপ্রিল ২০২৫

স্পার্সদের হারিয়ে চেলসির স্বস্তি

লন্ডনে  গোলের পর চেলসির ফুটবলারদের বাঁধভাঙা আনন্দ

নিজেদের মাঠ স্ট্যামফোর্ডব্রিজে জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে চেলসি। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে বৃহস্পতিবার তারা ১-০ গোলে হারিয়েছে শক্তিশালী টটেনহ্যাম হটস্পারকে। সেই সঙ্গে ঘরের মাঠে টানা পাঁচ জয়ের স্বাদ পায় তারা। স্পার্সদের বিপক্ষে জয়সূচক একমাত্র গোলটি করেন এঞ্জো ফার্নান্দেজ।

এই জয়ের সৌজন্যে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ চারে উঠে এসেছে ব্লুজরা। ফলশ্রুতিতে আগামী মৌসুমে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার আশাও দেখছে এঞ্জো মারেস্কার শিষ্যরা।
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে বৃহস্পতিবার নিজেদের মাঠ স্ট্যামফোর্র্ডব্রিজে টটেনহ্যাম হটস্পারকে স্বাগত জানায় চেলসি। চাপ কমাতে এদিন নিজেদের সমর্থকদের সামনে শুরু থেকেই আধিপত্য দেখায় ব্লুজরা। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের মাঠে নিজেদের সেরাটা দিয়ে খেলতে থাকে স্পার্সরাও। তবে এই সময়ে গোলের দেখা পায়নি দুই দলের কেউ।

ফলে গোলশূন্য সমতায় থেকেই বিরতিতে যায় দুই দল। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই লিড নেয় চেলসি। ম্যাচের ৫০ মিনিটে গোল করে স্বাগতিক সমর্থকদের উল্লাসে ভাসান এঞ্জো ফার্নান্দেজ। ইংলিশ ফরোয়ার্ড কোল পালমারের নিখুঁত ক্রস থেকে পাওয়া বল দুর্দান্ত হেডের মাধ্যমে টটেনহ্যামের জাল কাঁপান ২৪ বছর বয়সী চেলসির আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার।

ম্যাচের ৬৯ মিনিটে টটেনহামের পাপে সারেও চেলসির জালে বল পাঠিয়ে গোল উদ্যাপন করে দেন। কিন্তু সেই গোলও বাতিল করে দেন ফাউলের কারণে। ম্যাচের ৮৯ মিনিটে সন হিউং মিনের শট ফিরিয়ে চেলসির জয় নিশ্চিত করেন গোলরক্ষক রবার্তো সানচেজ। এই জয়ের ফলে মৌসুমের প্রথম ৩০ ম্যাচ শেষে ৫২ পয়েন্ট নিয়ে চারে অবস্থান করছে চেলসি। ফলে চারবারের চ্যাম্পিয়ন ম্যানসিটি নেমে গেছে পাঁচে।

৩০ ম্যাচ থেকে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ম্যানসিটির পয়েন্ট ৫১। সমান সংখ্যক ম্যাচ থেকে ৭৩ পয়েন্ট নিয়ে সবার উপরে অবস্থান করছে লিভারপুল। আর্সেনাল ৬১ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুই নম্বরে অবস্থান করছে। আর নটিংহাম ফরেস্ট ৫৭ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তিনে রয়েছে। 
শক্তিশালী টটেনহ্যামের বিপক্ষে জয়ের পর দারুণ খুশি চেলসি। ম্যাচের পর ব্লুজদের কোচ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন। তিনি বলেন, প্রথমার্ধে আমরা যথেষ্ট সুযোগ তৈরি করেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারিনি। দ্বিতীয়ার্ধে ওই গোলের পর সত্যি বলতে, ভুলটা আমারই। কারণ অতিরিক্ত সময় দেখার আগেই আমি ওই দুটি বদল করে ফেলি।

যখন দেখলাম ১২ মিনিট যোগ করা হয়েছে, আমার মনে হলো, একটু বেশি আগেভাগেই এমন পরিবর্তন করে ফেলেছি। তবে সৌভাগ্যজনকভাবে ম্যাচটি আমরা জিততে পেরেছি এবং এটিই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা খুবই খুশি। শেষ সময়টায় রক্ষণে যে পরীক্ষা দিতে হয়েছে সেটি দলকে আরও পরিণত করবে বলে বিশ্বাস এঞ্জো মারেস্কার, দল হিসেবে গড়ে উঠতে হলে এবং বেড়ে উঠতে হলে শেষ ১০ মিনিটে আমরা যেভাবে খেলেছি, এটা শেখাটা জরুরি। দৃষ্টিকটূ পথে হলেও কীভাবে ম্যাচ জিততে হয়।

×