
কলকাতার জার্সিতে উইন্ডিজ তারকা স্পিনারের উদযাপন
আইপিএল শুরু ২০০৮ সালে। ২০১২ থেকে টানা কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলছেন সুনীল নারাইন। ইডেনে হায়দরাবাদের কাছে হারের দিনে ১ উইকেট নিয়ে কেকেআরের জার্সিতে ২০০তম শিকারের ল্যান্ডমার্কে পা-রেখেছেন ক্যারিবিয়ান এ তারকা অফস্পিনার।
ইংল্যান্ডের সামিত প্যাটেলের (নটিংহামশায়ার হয়ে ২০৮ উইকেট) পর একটি ক্লাবের হয়ে দুই শ’ শিকারের মাত্র দ্বিতীয় ঘটনা এটি। সামিতের বয়স ৪০-এর ওপরে, নারাইনের ৩৬। বিশ্বরেকর্ডটা হাতছানি দিয়ে ডাকছে নারাইনকে।
ইংল্যান্ডের আরেক দল হ্যাম্পশায়ারের হয়ে ১৯৯ উইকেট নিয়ে এই তালিকায় তিন নম্বরে আছেন বাঁহাতি ইংলিশ পেসার ক্রিস উড। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে ১৯৫ উইকেট নিয়ে চারে সাবেক লঙ্কান তারকা পেসার লাসিথ মালিঙ্গা (২০০৮-২০২০)।
গ্লস্টারশায়ারের হয়ে ১৯৩ উইকেট নিয়ে পাঁচে ইংলিশ পেসার ডেভিড পেইন। এই পাঁচ জনের আশেপাশে নেই আর কেউ। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের জার্সিতে ১৬৮ উইকেট নিয়ে ছয় নম্বরে ভারতীয় সেনসেশনাল পেসার জাসপ্রিত বুমরাহ।
কলকাতার হয়ে নারাইনের ২০০ উইকেটের সবকটি অবশ্য শুধু আইপিএলে নয়। এখানে ১৮০ ম্যাচে তার উইকেট ১৮২টি। কলকাতার হয়ে বাকি ১৮টি উইকেট তিনি নিয়েছেন বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টি২০তে।
আইপিএলে তিনবারের চ্যাম্পিয়ন কলকাতা (২০১২, ২০১৪ ও ২০২৪)। ডানহাতি অফস্পিনে তিনবারই বড় অবদান রেখেছেন নারাইন। ২০১২, ২০১৮ ও ২০২৪ টুর্নামেন্টসেরাও হয়েছেন। আইপিএলের তিন মৌসুমে সেরা খেলোয়াড়ের স্বীকৃতি পাওয়ার রেকর্ড আর কারও নেই।
আইপিএলে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির তালিকায় চার নম্বরে নারাইন। তার চেয়ে একটি উইকেট বেশি নিয়ে যৌথভাবে তিনে রবিচন্দ্রন অশ্বিন, ভুবনেশ্বর কুমার ও ডোয়াইন ব্রাভো। ১৯২ উইকেট নিয়ে দুইয়ে পিযুস চাওলা। ২০৬ শিকারে চূড়ায় যুবেন্দ্র চাহাল।
মিরাজ/আবীর