ঢাকা, বাংলাদেশ   রোববার ৩০ মার্চ ২০২৫, ১৬ চৈত্র ১৪৩১

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের সব খবর

সফটওয়্যার ডেভেলপার হিসেবে ক্যারিয়ার

সফটওয়্যার ডেভেলপার হিসেবে ক্যারিয়ার

সফটওয়্যার ডেভেলপার কী একজন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে যিনি বা যারা কোনো না কোনোভাবে সফটওয়্যার নির্মাণ প্রক্রিয়ার বা সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট প্রসেসের সঙ্গে যুক্ত। একজন সফটওয়্যার প্রস্তুতকারক শুধু সফটওয়্যার নকশাকরণ বা সফটওয়্যার ডিজাইন এবং কোড লিখা বা কোডিং নয়, বরং কম্পিউটার প্রোগ্রামিং, সফটওয়্যার প্রকল্প ব্যবস্থাপনা বা সফটওয়্যার প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি বিভিন্ন কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন। এমনকি সফটওয়্যার পণ্য ব্যবস্থাপনা বা সফটওয়্যার প্রডাক্ট ম্যানেজমেন্টসংক্রান্ত কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত থাকাও সফটওয়্যার নির্মাতার কাজ। সফটওয়্যার নির্মাতা সেই ব্যক্তি যিনি একটি পূর্ণাঙ্গ সফটওয়্যার নির্মাণ করেছেন এবং যিনি সফটওয়্যার নির্মাণের প্রতিটি ধাপের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তবে এ ক্ষেত্রে সফটওয়্যারটিকে অবশ্যই সাধারণ কোনো প্রোগ্রাম হলে চলবে না। সাধারণভাবে সফটওয়্যার নির্মাতার সঙ্গে আরও যারা সম্পৃক্ত থাকেন তারা হলেন সফটওয়্যার বিশ্লেষক বা সফটওয়্যার অ্যানালিস্ট এবং সফটওয়্যার প্রকৌশলী বা সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। কাজের সুযোগ সফটওয়্যার ডেভেলপারের কাজের ক্ষেত্র বেশ বৈচিত্র্যময়। দিন দিন কাজের সুযোগ বাড়ছে। একটা সময় ছিল যখন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা অথবা তথ্য একটা নির্দিষ্ট জায়গায় জমা রাখার কোনো ব্যবস্থা ছিল না। এখন নিরাপত্তা কাঠামো ডিজাইন, তথ্য সংরক্ষণ, উপস্থিতির জন্য ফিঙ্গারপ্রিন্টের ব্যবস্থা করাÑ এই জাতীয় বিবিধ কাজের জন্য সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের প্রয়োজন। দায়িত্ব সফটওয়্যার ডেভেলপারের কাজের ধরনেও বেশ বৈচিত্র্য লক্ষ করা যায়। এ ক্ষেত্রে কাজের ধরন প্রতিষ্ঠানসাপেক্ষ হলেও একজন সফটওয়্যার ডেভেলপারকে যেসব কাজ করতে হয় তা হলোÑ ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপ করা, ই-কমার্সের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান বের করা, প্রতিষ্ঠানের সিস্টেম ডেভেলপ করা, উপস্থিতির জন্য ফিঙ্গারপ্রিন্ট, সফটওয়্যার এবং অন্যান্য সিস্টেম ডেভেলপ করা, প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে তথ্য বিন্যাসের বিষয় মনিটর করা। যোগ্যতা সফটওয়্যার ডেভেলপার হিসেবে কাজের প্রাথমিক যোগ্যতা ধরা হয় যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ইনফরমেশন টেকনোলজি অথবা সফটওয়্যার ডেভেলপারিংয়ে স্নাতক। দক্ষতা ও জ্ঞান প্রোগ্রামিং নিয়ে সম্যক ধারণা থাকতে হবে; লজিক তৈরির পরিষ্কার ধারণা থাকা আবশ্যক। প্রোগ্রামিং এবং লজিক তৈরি এই দুটি দক্ষতা একজন ভালো সফটওয়্যার ডেভেলপারের জন্য প্রাথমিক একটি প্রয়োজনীয়তা; আপনার প্রতিষ্ঠান যে ধরনের প্রোগ্রামিং ভাষা বা ল্যাঙ্গুয়েজে কাজ করে সেই নির্দিষ্ট প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নিয়ে আপনাকে পরিষ্কারভাবে জানতে হবে এবং এই ল্যাঙ্গুয়েজে কাজ করতে পারদর্শী হতে হবে। এছাড়া আনুষঙ্গিক সব বিষয়ে পর্যাপ্ত দক্ষতা ও জ্ঞান থাকা জরুরি। আয়-রোজগার প্রথম পর্যায়ে একজন সফটওয়্যার ডেভেলপারের মাসিক আয় সাধারণত ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার মধ্যে হয়। এ ক্ষেত্রে মাসিক আয় কাজসাপেক্ষ হওয়ার পাশাপাশি দক্ষতার ওপরও নির্ভর করে। দক্ষতার সঙ্গে সঙ্গে মাসিক আয়ের পরিমাণ বেশ দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

স্মার্টফোন বিক্রির আগে বিপদ এড়াতে ১০ টিপস্

স্মার্টফোন বিক্রির আগে বিপদ এড়াতে ১০ টিপস্

ব্যাংক ও আর্থিক সেবার অ্যাপ মুছে ফেলা ব্যাংক ও আর্থিক সেবার অ্যাপে  অর্থসংক্রান্ত ও ব্যক্তিগত তথ্য থাকে। সাধারণত এসব অ্যাপে ওটিপি ছাড়া আর্থিক লেনদেন করা যায় না। তবে স্মার্টফোনে অ্যাপ চালু থাকলে তা আর্থিক ক্ষতির কারণ হতে পারে। কল রেকর্ডস ও বার্তা মুছে ফেলা স্মার্টফোনে সংরক্ষিত সব কল রেকর্ডস ও বার্তা মুছে ফেলতে হবে। কল রেকর্ডস এবং বার্তা গুরুত্বপূর্ণ হলে সেগুলো আলাদা কোনো স্থানে বা ক্লাউড সেবায় সংরক্ষণ করা যেতে পারে। ছবি, ভিডিও এবং মাল্টিমিডিয়া সংরক্ষণ স্মার্টফোনের স্টোরেজে ছবি, ভিডিওসহ অসংখ্য মাল্টিমিডিয়া আধেয় বা কনটেন্ট থাকে। এগুলো অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রয়োজনের কারণে মুছে ফেলা যায় না। তাই এসব আধেয় অন্য কোনো স্থানে সংরক্ষণ করে মুছে ফেলতে হবে। এক্সটারনাল ড্রাইভে ব্যাকআপ ক্লাউড স্টোরেজে সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং সেগুলোতে প্রবেশ করা যায়। তবে স্মার্টফোনে থাকা তথ্যের বাড়তি সুরক্ষার জন্য এক্সটারনাল ড্রাইভে ব্যাকআপ রাখা যেতে পারে। সব অ্যাকাউন্ট থেকে বেরিয়ে যাওয়া স্মার্টফোন থেকে যুক্ত হওয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ই-মেইল, ব্যাংকসহ সব অ্যাকাউন্ট থেকে বের হয়ে যেতে হবে (লগআউট)। ফোন ফ্যাক্টরি রিসেট দিলেও এসব অ্যাকাউন্ট থেকে লগআউট করতে হবে। মাইক্রো এসডি কার্ড সরিয়ে ফেলা বাড়তি তথ্য রাখার জন্য অনেকেই স্মার্টফোনে মাইক্রো এসডি কার্ড ব্যবহার করেন। স্মার্টফোন পরিবর্তনের আগে অবশ্যই এই কার্ড খুলে নিতে হবে। সিম কার্ড সরানো এবং ই-সিমের তথ্য মুছে ফেলা স্মার্টফোনে থাকা সিম কার্ড সরিয়ে ফেলতে হবে। এ ছাড়া যেসব ফোন ই-সিম সমর্থিত সেসব ফোন থেকে ই-সিমের সব তথ্য মুছে ফেলতে হবে। হোয়াটসঅ্যাপ ব্যাকআপ হোয়াটসঅ্যাপেও প্রচুর তথ্য থাকে। তাই গুগল ড্রাইভে হোয়াটসঅ্যাপের ব্যাকআপ রাখতে হবে। পরে নতুন ফোনে এই ব্যাকআপ ব্যবহার করে পুরনো তথ্য ফেরত আনা যাবে।

বাংলাদেশে স্টারলিংক

বাংলাদেশে স্টারলিংক

স্টারলিংক ইন্টারনেট সেবা দেয় স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে। স্টারলিংকের মূল প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাদের ইন্টারনেট সেবা জিওস্টেশনারি (ভূস্থির উপগ্রহ) থেকে আসে, যা ৩৫ হাজার ৭৮৬ কিলোমিটার ওপর থেকে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে। পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে স্থাপিত হাজার হাজার স্যাটেলাইটের একটি সমষ্টি হচ্ছে স্টারলিংক, যা পুরো বিশ্বকেই উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা দিতে পারে। চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত হিসাবে, স্টারলিংকের ৬ হাজার ৯৯৪টি স্যাটেলাইট স্থাপিত হয়েছে। এসব স্যাটেলাইট পৃথিবী থেকে প্রায় ৩৪২ মাইল (৫৫০ কিলোমিটার) উপরে কক্ষপথে ঘুরছে। যেভাবে কাজ করে স্টারলিংকের ইন্টারনেট সেবা পেতে গ্রাহককে টেলিভিশনের অ্যানটেনার মতো একটি ডিভাইস (যন্ত্র) বসাতে হবে, যা পৃথিবীর কক্ষপথে ঘুরতে থাকা স্যাটেলাইটের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে। গ্রাহক এই অ্যানটেনার সঙ্গে একটি স্টারলিংকের রাউটার স্থাপন করে ইন্টারনেট সেবা পান। স্টারলিংকের ইন্টারনেটে ডাউনলোড গতি ২৫ থেকে ২২০ এমবিপিএস (মেগাবাইট পার সেকেন্ড)। তবে বেশিরভাগ ব্যবহারকারী ১০০ এমবিপিএসের বেশি গতি পান। স্টারলিংকে আপলোড গতি সাধারণত ৫ থেকে ২০ এমবিপিএসের মধ্যে থাকে। খরচ কত স্টারলিংকের ওয়েবসাইটে বলা আছে, বাসাবাড়িতে তাদের সেবা নিতে কিছু সরঞ্জাম কিনতে হবে। সেখানে থাকে একটি রিসিভার বা অ্যানটেনা, কিকস্ট্যান্ড, রাউটার, তার ও বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা বা পাওয়ার সাপ্লাই। এটাকে স্টারলিংক কিট বলা হয়, যার মূল্য ৩৪৯ থেকে ৫৯৯ ডলার পর্যন্ত (৪৩ থেকে ৭৪ হাজার টাকা)। আবাসিক গ্রাহকদের জন্য স্টারলিংকের মাসিক সর্বনিম্ন ফি ১২০ ডলার (প্রায় ১৫ হাজার টাকা)। তবে করপোরেট গ্রাহকদের জন্য স্টারলিংক কিটের দাম ও মাসিক ফি দ্বিগুণের বেশি। তবে দেশ ভেদে দামে ভিন্নতা রয়েছে। ঢাকায় গতি ২৩০ এমবিপিএস দ্রুতগতির স্যাটেলাইটভিত্তিক ইন্টারনেটসেবা স্টারলিংকের পরীক্ষামূলক ব্যবহার করা হয়েছে ঢাকায়। এ সময় ২৩০ এমবিপিএস ডাউনলোড গতি পাওয়া গেছে। রাজধানীর একটি হোটেলের বিদেশী স্যাটেলাইটভিত্তিক ইন্টারনেট সেবাটির ব্রডব্যান্ড গেটওয়ে ব্যবহার করে পরীক্ষামূলক ব্যবহার হয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম গতকাল সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে অ্যাকাউন্টে ঢাকায় স্টারলিংকের গতির তথ্য জানিয়ে একটি পোস্ট দেন। বাংলাদেশে স্টারলিংক ইলন মাস্কের স্টারলিংককে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানানো এবং তা চালু করার মূল কারণ জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, ইন্টারনেট শাটডাউন চিরতরে বন্ধ করতেই এমন উদ্যোগ। সম্প্রতি তিনি তার ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন প্রেস সচিব। শফিকুল আলম তার পোস্টে লিখেছেন, স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকার ১৬ বছরের শাসনকালে অনেকবার ইন্টারনেট বন্ধ করেছেন। বিক্ষোভ দমন করতে বা বিরোধী কোনো বড় আন্দোলন দমন করার ক্ষেত্রে স্বৈরশাসক ও একনায়কদের প্রিয় একটি হাতিয়ার হচ্ছে ইন্টারনেট শাটডাউন। কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় লাখো ফ্রিল্যান্সার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন। কেউ কেউ তাদের চুক্তি এবং চাকরি চিরতরে হারান। শফিকুল আলম লিখেছেন, বাংলাদেশের বাজারে স্টারলিংকের আগমনের অর্থ হলো, ভবিষ্যতে কোনো সরকারই ইন্টারনেট সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করতে পারবে না। ইন্টারনেট বন্ধ করার নতুন কোনো চেষ্টায় নিদেনপক্ষে বিপিও প্রতিষ্ঠান, কল সেন্টার ও ফ্রিল্যান্সাররা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না। স্টারলিংক স্যাটেলাইটভিত্তিক দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা। এই সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের মালিক বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক। এই মার্কিন ধনকুবের যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টাও। ১৩ ফেব্রুয়ারি ইলন মাস্কের সঙ্গে ভিডিও কলে আলোচনা করেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এই আলোচনায় ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ক্ষেত্র অন্বেষণের পাশাপাশি বাংলাদেশে স্টারলিংক ইন্টারনেট সেবা চালুর বিষয়ে বিস্তারিত আলাপ করেন তারা। জাতীয় উন্নয়নে এই উদ্যোগের তাৎপর্য তুলে ধরে মুহাম্মদ ইউনূস স্টারলিংক পরিষেবার সম্ভাব্য প্রবর্তনের জন্য ইলন মাস্ককে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

কিন্ডল প্রজন্মের পাঠাভ্যাস

কিন্ডল প্রজন্মের পাঠাভ্যাস

ঢাকার মতো যানজটের শহরে বাসে বসে বসে যখন ফোন স্ক্রল করছেন, ঠিক একই সময় আরেকজন পড়ছে বই। কিন্তু বই বহন করে নিয়ে যাওয়া কি সহজ? বই বহন না করেও যদি বইয়ের কাছাকাছি অনুভূতি পাওয়া যায়? এই জায়গাতেই আসে কিন্ডল, বই পড়ার যন্ত্র। কেন কিন্ডল? ফোনে পিডিএফ পড়ার চেয়ে কিন্ডলে পড়া আরামদায়ক। কারণ ফোন থেকে নির্গত রশ্মি চোখের ক্ষতি করে, আর কিন্ডল ডিজাইন করা হয়েছে চোখের জন্য আরামদায়কভাবে। এটি ব্যবহার করলে কাগজের বইয়ের মতোই অনুভূতি পাওয়া যায়। কিন্ডল মানেই একটি গোটা লাইব্রেরি হাতে নিয়ে হাঁটার সুযোগ। তবে এখানে কিছু বই ফ্রি থাকলেও বেশিরভাগ বই কিনতে হয়। কেন কিন্ডল আলাদা? অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইস মনোযোগ বিচ্ছিন্ন করে, কিন্তু কিন্ডল মনোযোগ ধরে রাখে। গবেষণা বলছে, ২০২৪ সালের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা প্রতিদিন গড়ে ৬ ঘণ্টা ৩৬ মিনিট অনলাইনে কাটিয়েছেন, যার বড় অংশ গেছে নোটিফিকেশন চেক করতে। কিন্ডল এমন এক ডিজিটাল ডিভাইস, যা নোটিফিকেশন মুক্ত, ফলে একটানা পড়তে কোনো সমস্যা হয় না। কিন্ডলের রকমফের

মানুষের শরীরে শূকরের লিভার প্রতিস্থাপন করে চীনের নজির স্থাপন

মানুষের শরীরে শূকরের লিভার প্রতিস্থাপন করে চীনের নজির স্থাপন

চীনের চিকিৎসকরা বুধবার ঘোষণা করেছেন যে, তারা প্রথমবারের মতো একটি জিনগতভাবে পরিবর্তিত শূকরের লিভার একজন মস্তিষ্ক-মৃত মানুষের শরীরে সফলভাবে প্রতিস্থাপন করেছেন। এই ঘটনাটি চিকিৎসা ক্ষেত্রে একটি বড় দিগন্ত উন্মোচন করেছে এবং ভবিষ্যতে জীবন রক্ষাকারী অঙ্গদানের নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে। শূকরের অঙ্গগুলোকে এখন পৃথিবীর সবচেয়ে উপযুক্ত প্রাণীজ দাতা হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। গত কয়েক বছরে যুক্তরাষ্ট্রে বেশ কয়েকটি সফল শূকরের কিডনি বা হৃদয় প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। তবে শূকরের লিভার প্রতিস্থাপন বেশ জটিল ছিল এবং এর আগে কোনো পরীক্ষামূলক প্রতিস্থাপন মানুষের শরীরে করা হয়নি।

অন্ধদেরকে নির্বিঘ্নে পথ চেনাবে এআই চশমা!

অন্ধদেরকে নির্বিঘ্নে পথ চেনাবে এআই চশমা!

রোমানিয়ান স্টার্টআপ লুমেন সম্প্রতি একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-চালিত চশমা বাজারে এনেছে, যা অন্ধদেরকে ক্যান বা গাইড ডগ ছাড়া নিরাপদে চলাফেরা করার সুযোগ প্রদান করবে। ৩০০টিরও বেশি অন্ধ ব্যবহারকারী এই চশমাগুলি পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করেছেন, যা তাদেরকে স্বাধীনভাবে চলাচলের ক্ষমতা প্রদান করেছে। এই চশমাগুলি, স্বয়ংক্রিয় গাড়ির প্রযুক্তি থেকে অনুপ্রাণিত, গাইড ডগের মূল কার্যাবলী অনুকরণ করে এবং ঐতিহ্যগত চলাচল সহায়ক যন্ত্রের একটি স্কেলেবল বিকল্প হিসেবে কাজ করে। হ্যাপটিক ইন্টারফেস এবং অডিও প্রতিক্রিয়া ব্যবহার করে, চশমাগুলি আশপাশের একটি বিস্তারিত ৩ডি মানচিত্র তৈরি করে, রাস্তা, ফুটপাথ এবং প্রতিবন্ধকতা শনাক্ত করে এবং ব্যবহারকারীদের তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে সাহায্য করে। হ্যাপটিক গাইডেন্সের পাশাপাশি, এই সিস্টেমটি গুগল ম্যাপসের সঙ্গে একত্রিত হয়ে নির্ভুল নেভিগেশন সেবা এবং সিঁড়ি, ক্রসওয়াকের মতো বৈশিষ্ট্যগুলির জন্য সতর্কতা প্রদান করে। বিশ্বব্যাপী ৩০০ মিলিয়নেরও বেশি দৃষ্টিহীন মানুষ রয়েছে, আর প্রতিবছর মাত্র ২,০০০টি গাইড ডগ প্রশিক্ষিত হয়, যা উচ্চ খরচের কারণে অনেকের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হয় না। এই চশমাগুলি সেই সংকটের একটি বিপ্লবী সমাধান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। উদ্ভাবনটির পিছনে রয়েছেন কর্নেল আমারিই, যিনি তার পরিবারে প্রতিবন্ধী মানুষদের সঙ্গে সম্পর্ক থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এটি তৈরি করেছেন। সূত্র: https://solve.mit.edu/solutions/60348