ঢাকা, বাংলাদেশ   শুক্রবার ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১

সন্তানকে হাফেজ বানালে বৃদ্ধাশ্রমে যেতে হয় না: মুফতি মোহাম্মদ ইব্রাহিম

প্রকাশিত: ২০:২৩, ৩ এপ্রিল ২০২৫; আপডেট: ২০:৫৬, ৩ এপ্রিল ২০২৫

সন্তানকে হাফেজ বানালে বৃদ্ধাশ্রমে যেতে হয় না: মুফতি মোহাম্মদ ইব্রাহিম

ছবি: সংগৃহীত

ইসলামি বক্তা মুফতি মোহাম্মদ ইব্রাহিম বলেছেন, পরিসংখ্যানে দেখা যায় মানুষ শতকরা ৮৫ জন সন্তানকে স্কুল কলেজে পাঠিয়ে প্রকৌশলী বানায়, ডাক্তার বানায়, প্রফেসর বানায়,বিদেশে পাঠায়-ডিগ্রি নেয়,সন্তানদেরকে কত রকমের জাগতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতেছে। পরিণতিতে শেষ বয়সে যখন এসব মা-বাবা বার্ধক্যে পৌঁছান, তখন তারা তাদের সন্তানদের কাছ থেকে উপেক্ষিত হয়।

অনেক সময়, এই মা-বাবারা বৃদ্ধাশ্রমে চলে যান এবং একাকী জীবনযাপন করতে থাকে। অথবা, তারা তাদের নিজ বাড়িতে একা একা ধুঁকে ধুঁকে মৃত্যুবরণ করেন। এই জীবনযাত্রা তাদের জন্য সুখী নয়, বরং বেদনাদায়ক এবং একাকিত্বের অনুভূতি বৃদ্ধি পায়।

অন্যদিকে, পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, শতকরা মাত্র ১৫ বা ২০ জন বাবা-মা তাদের সন্তানদের ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত করতে আগ্রহী হন। তারা তাদের সন্তানদেরকে হাফেজ, আলেম বানাতে প্রচেষ্টা চালান। যারা ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত হয়, তারা দুনিয়াতেও সুখী থাকে। তারা তাদের জীবনের সকল দুঃখ-কষ্ট সহ্য করে, তবে তারা পরবর্তীতে সুখী এবং শান্তিপূর্ণ জীবনযাপন করে।

আর সবচেয়ে বড় কথা, যখন এই মা-বাবারা বার্ধক্যে পৌঁছান, তখন তারা তাদের সন্তানদের কাছ থেকে সেবা এবং যত্ন পান। সন্তানেরা তাদের কাছে থাকেন, তাদের দেখাশোনা করেন এবং তাদের বৃদ্ধ বয়সে যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করে।

এছাড়া, আমাদের সমাজে এমন অনেক ঘটনা দেখা যায়, যেখানে মা-বাবা তাদের সন্তানদেরকে সঠিকভাবে ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত করে, তারাই পরবর্তী সময়ে সবচেয়ে বেশি শান্তি এবং সুখ পায়। তাদের শেষ বয়সে, সন্তানরা তাদের দেখাশোনা করে এবং তাদের প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী সব কিছু দেয়। এতে মা-বাবা কখনও অনুভব করেন না যে, তারা একা।

 

মেহেদী হাসান

×