
জুলাইয়ের পক্ষের সকল সংগঠন ও শক্তিকে নিয়ে গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে আরও কঠোর কর্মসূচির প্রস্তুতি নিচ্ছে 'গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধকরণ আন্দোলন'।শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানান গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধকরণ আন্দোলনের সংগঠক ও চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম ছাত্রনেতা মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ।
তিনি বলেন, শুক্রবার মাথায় গুলি নিয়ে জুলাই যোদ্ধা আশিকুর রহমান হৃদয় শহিদ হয়ে আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন। তিনি যাত্রাবাড়ীতে গুলিবিদ্ধ হয়ে এতদিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। রাষ্ট্র বা জুলাই ব্যবসায়ী ছাত্রনেতারা তার যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পারেনি। উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা গেলে হয়তো তাকে বাঁচানো যেত। বাঁচানো যেত আরও অসংখ্য যোদ্ধাকে, বাঁচানো যেত আরও অসংখ্য যোদ্ধার চোখ বা শরীরের অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত না করতে পারার কারণে আরও অনেক জুলাই যোদ্ধাকে শহিদ হতে হয়েছে।
মুসাদ্দিক বলেন, ৫ আগস্টের পর আমরা যখনই আলোচনা করেছি যে জেলায় জেলায় সফর না করে আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করুন, আমরা বারবার বলেছি যে চিকিৎসার অভাবে অনেক আহত শহিদ হয়ে যাচ্ছে তখন আমাদেরকে বলা হয়েছে যে আমরা নাকি অপতথ্য ছড়াচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, গত সাত মাসে আওয়ামী লীগের কোনো দৃশ্যমান বিচার হয়নি, খুনীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে ঝটিকা মিছিলের পাশাপাশি গুপ্তহত্যা করার দুঃসাহস দেখাচ্ছে। অথচ তাদেরকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ গ্রহণ না করে পুনর্বাসন করা হয়েছে বিভিন্ন জায়গায়। উপদেষ্টারা নির্লজ্জভাবে বলছেন আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করা সমীচীন নয়।
জুলাই ঘোষণাপত্র যেখানে ৫ আগস্টেই ঘোষণা করার কথা ছিলো সেখানে গত ৭ মাসেও সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি উল্লেখ করে মুসাদ্দিক বলেন, আরেকটি গণ আন্দোলন ছাড়া এই দাবীগুলো নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। আমরা জুলাই রিভাইভস কর্মসূচি ঘোষণা করে জুলাইয়ের পক্ষের সকল সংগঠন ও শক্তিকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন শুরু করার চেষ্টা করে যাচ্ছি।
দেশের সব নাগরিকদের আহ্বান জানিয়ে মুসাদ্দিক বলেন, আপনারা সকলে ঐক্যবদ্ধ হোন, আমরা শীঘ্রই আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ, জুলাই, শাপলা গণহত্যাসহ সকল অপকর্মের বিচার, জুলাই ঘোষণাপত্র এবং শহিদ পরিবার ও আহতদের পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলব এবং আমাদের দাবীগুলো নিশ্চিত করব।
আফরোজা