ঢাকা, বাংলাদেশ   রোববার ০৬ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১

শরীয়তপুরের জাজিরায় আ. লী‌গের দুই গ্রু‌পের সংঘ‌র্ষের ঘটনায় এখ‌নো কেউ গ্রেফতার হয়‌নি, অ‌তি‌রিক্ত পু‌লিশ মোতা‌য়েন

নিজস্ব সংবাদদাতা, শরীয়তপুর

প্রকাশিত: ১৬:২০, ৫ এপ্রিল ২০২৫; আপডেট: ১৬:২১, ৫ এপ্রিল ২০২৫

শরীয়তপুরের জাজিরায় আ. লী‌গের দুই গ্রু‌পের সংঘ‌র্ষের ঘটনায় এখ‌নো কেউ গ্রেফতার হয়‌নি, অ‌তি‌রিক্ত পু‌লিশ মোতা‌য়েন

ছবি: সংগৃহীত

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বিলাশপু‌রে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লী‌গের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় এখ‌নো কাউ‌কে গ্রেফতার বা বোমা উদ্ধার কর‌তে পা‌রে‌নি পু‌লিশ। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তু‌তি চল‌ছে ব‌লে পু‌লিশ জা‌নি‌য়ে‌ছে। ঘটনাস্থ‌লে অ‌তি‌রিক্ত পু‌লিশ মোতা‌য়েন করা হ‌য়ে‌ছে। ত‌বে এলাকায় থমথ‌মে অবস্থা বিরাজ কর‌ছে। পু‌লি‌শি গ্রেফতা‌রের ভ‌য়ে এলাকা পুরুষ শূন‌্য হ‌য়ে প‌ড়ে‌ছে।

সংঘ‌র্ষে আহত‌দের ম‌ধ্যে গুরুতর আহত অবস্থায় কামাল হো‌সেন ও বিজয়‌কে উন্নত চি‌কিৎসার জন‌্য ঢাকা মে‌ডিক‌্যাল ক‌লেজ হাসপাতা‌লে প্রেরণ করা হ‌য়ে‌ছে। শহর আলী মাদবর ও রিজু বেপারী‌কে জা‌জিরা উপ‌জেলা স্বাস্থ‌্য কমপ্লে‌ক্সে ভ‌র্তি করা হ‌য়ে‌ছে। এ ঘটনায় উত্তপ্ত হ‌য়ে উঠেছে বিলাসপুর ইউনিয়নের দূর্বাডাঙ্গা এলাকা। শনিবার সকালে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের সময় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় কমপক্ষে শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরিত হয়। দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত হয় ১৫ জন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান বিলাশপুর ইউ‌নিয়নের চেয়ারম‌্যান আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল বেপারী ও ‌স্বেচ্ছা‌সেবক লীগ নেতা জলিল মাদবর সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে আজ সকালে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। সংঘর্ষের সময় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, হাতবোমা বিস্ফোরণের বিকট শব্দে এলাকা কেঁপে উঠে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে চলা এই বিরোধ থামাতে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপের অভাবেই বারবার এমন সংঘর্ষ ঘটছে। 

জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল আখন্দ বলেন, “বহুদিন ধরে কুদ্দুস ও জলিল গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ঈদ পুনর্মিলনীর সময় এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।"

অ‌তি‌রিক্ত পু‌লিশ সুপার‌ আ‌শিক মাহমুদ ব‌লেন, "সংঘ‌র্ষের সংবাদ শু‌নে আমরা  ঘটনাস্থ‌লে উপ‌স্থিত হই এবং প‌রি‌স্থি‌তি  নিয়ন্ত্রণ ক‌রি। বর্তমা‌নে প‌রি‌স্থিতি শান্ত র‌য়ে‌ছে।"

আবীর

×