
ছবি: সংগৃহীত।
সম্প্রতি খাগড়াছড়ি টাউন হলে আয়োজিত স্থানীয় জামায়াতের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে চব্বিশের গণ অভূত্থানের অন্যতম সংগঠক ও ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি আবু সাদিক কায়েমের নামে ভুল তথ্য দিয়ে জামায়াতের প্রেস রিলিজের মাধ্যমে জনকণ্ঠসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে পাঠানো হয়। যা নিয়ে পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। পরে বিষয়টি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে গণমাধ্যমে বিবৃবিতে দেন খাগড়াছড়ি জামায়াতের প্রচার সম্পাদক আব্দুল মান্নান।
বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, গত ২ এপ্রিল ২০২৫ রোজ বুধবার সকাল ১০ ঘটিকায় খাগড়াছড়ি টাউন হলে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি জনাব আবু সাদিক কায়েমের নামে নিম্নোক্ত বক্তব্যটি "ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকার পতন আন্দোলনের পর থেকে "রাজাকার" আর কোন গালি নয়, বরং যারাই এই রাজাকার শব্দের অপপ্রয়োগ করতে চাইবে তারাই বাংলাদেশ স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের শত্রু ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার প্রতিবন্ধক।" বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার প্রচার বিভাগের মাধ্যমে খাগড়াছড়ির স্থানীয় সাংবাদিকদেরকে প্রেরণ করা হয়েছিল যা সঠিক ছিল না।
বিশেষ অতিথি জনাব আবু সাদিক কায়েমের বক্তব্যের কোন জায়গায় 'রাজাকার' সংক্রান্ত উক্ত বক্তব্য ছিল না। ভুলবশত উপরোক্ত তথ্য প্রেরণের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।
একই বিবৃতিতে পূর্বে পাঠানো সংবাদটি সংশোধন করে পাঠায় খাগড়াছড়ি জামায়াত। যেখানে সাদিক কায়েমের বক্তব্যে বলা হয়-
“নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য, জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি নতুন বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ এবং খুনি হাসিনার দোসরদের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেন। যারা ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করার চেষ্টা করছে তাদের সতর্ক করে তিনি বলেন, এই নতুন বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা কোনভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।”
সায়মা ইসলাম