
ছবি: সংগৃহীত।
আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে এত জনসমর্থন নিয়ে এর আগে কোনো সরকার (অন্তর্বর্তীকালীন সরকার) আবির্ভূত হয়নি। দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি জনসমর্থিত সরকার ড. ইউনূসের। আমার দৃষ্টিতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পরে সবচেয়ে সফল সরকার হবে প্রফেসর ড. ইউনূসের।
বৃহস্পতিবার (০৩ এপ্রিল) দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাবে ঈদ উপলক্ষে এবি পার্টির উদ্যোগে সাংবাদিক ও সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। এবি পার্টির জেলা ও মহানগর কমিটির উদ্যোগে এ সভা হয়।
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো গত ১৬-১৭ বছর ধরে বলে আসছে ভোট, নির্বাচন ও গণতন্ত্র চাই। আর তরুণদের আকাঙ্ক্ষা যেগুলো দেয়ালে দেয়ালে লেখা হয়েছে সেখানে অবিলম্বে নির্বাচনের কথা বলা নেই। তরুণদের আকাঙ্ক্ষা ভিন্ন হলেও মর্যাদার জায়গায় দুটিই সমান। রাজনৈতিক দলের আকাঙ্ক্ষাগুলো যেমন ন্যায্য, তেমনি তরুণদের সংস্কারের দাবিগুলোও ন্যায্য।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, সংস্কার, বিচার, নির্বাচন এর কোনোটাকেই আমি একটার সাথে আরেকটা সাংঘর্ষিক মনে করি না। এর পুরোটা মিলেই হচ্ছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, ৭১ এর মুক্তির লড়াই, ২৪ এর গণঅভ্যুত্থান। কিন্তু এ প্রত্যেকটা কাজ করতে হবে ঐকমত্যের ভিত্তিতে। একটা সুপ্ত জিনিস, হক জিনিসও চাপিয়ে দিলে জাতি মেনে নেয় না।
তিনি বলেন, ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে মোটা দাগে বড় দুটি জনগোষ্ঠীর অবদান রয়েছে। ১৬-১৭ বছর ধরে রাজনৈতিক দলগুলো আন্দোলন সংগ্রাম করেছে ভোটের জন্য, নির্বাচনের জন্য, গণতন্ত্রের জন্য। তাদের লম্বা দীর্ঘ মেয়াদি কোরবানি রয়েছে। হাজার হাজার মানুষ শহিদ হয়েছে, প্রতিবন্ধী হয়েছে, গুম-খুনের শিকার হয়েছে। তাদেরও বড় একটা অবদান রয়েছে। দ্বিতীয় যেটা হয়েছে গত জুন, জুলাই, আগস্টে বাংলাদেশের আকাশে নতুন নক্ষত্র এসে হাজির হয়েছে। তারা হচ্ছে আমাদের তরুণরা, যুবকরা, আমাদের শিক্ষার্থীরা। এই দুইটা অংশীজনের ভিন্ন ভিন্ন দাবি রয়েছে।
এ সময় সংস্কার, নির্বাচন, বিচারের একটি সম্মিলিত রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক। তিনি মনে করেন এ রোডম্যাপ ধরে দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।
নুসরাত