ঢাকা, বাংলাদেশ   বৃহস্পতিবার ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১

নির্বাচনের রোডম্যাপ না দেয়া ‘অন্তবর্তীকালীন সরকারের রাজনৈতিক অনভিজ্ঞতা’ দাবি মির্জা ফখরুলের

প্রকাশিত: ২০:১৯, ২ এপ্রিল ২০২৫; আপডেট: ২০:২২, ২ এপ্রিল ২০২৫

নির্বাচনের রোডম্যাপ না দেয়া ‘অন্তবর্তীকালীন সরকারের রাজনৈতিক অনভিজ্ঞতা’ দাবি মির্জা ফখরুলের

ছবি: সংগৃহীত।

নির্বাচনের রোডম্যাপ না দেয়াটা ‘অন্তবর্তীকালীন সরকারের রাজনৈতিক অনভিজ্ঞতা’ হিসেবে দেখছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ বিকালে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপচারিতায় এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব এরকম মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘‘ আমার কাছে যেটা মনে হয় ফ্র্যাংকিং স্পিকিং সুনির্দিষ্টভাবে রোডম্যাপ না দেয়াটা এটা উনাদের(অন্তবর্তীকালীন সরকার)কিছুটা … আই অ্যাম সরি টু সে… এটা অনেকটা রাজনৈতিক অনভিজ্ঞতা থেকে আসছে।” ‘‘কারণ, এই সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ দিলেই কিন্তু রাজনৈতিক সংকটগু্লো যেগুলো আছে সেগুলো অনেককাংশে কমে যাবে। রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনের দিকে ঝুঁকে যাবে, অন্যান্য যে সব বিষয়গুলো তৈরি হচ্ছে সেগুলো কম তৈরি হবে। এগুলো হচ্ছে বাস্তবতা।’’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘ এতো বেশি কথা হচ্ছে কেনো? কারণ আওয়ামী লীগ এখন ভিজিবল না… তাই না। বিএনপি ভিজিবল বড় দল হিসেবে, নেক্সট পরের দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামী আছে তারাও ভিজিবল। অন্যান্য দলগুলো.. ছাত্রদের যে নতুন দল সেটা উঠে আসছে…ভালো হয় যদি ভালো।” ‘‘ফলে এই জায়গাগুলোতে একটা অবস্থান তৈরি করা বড় দল হিসেবে বিএনপি আপনার একটু বেকাদায় পড়ে যায় বা অন্যান্য সমস্যা পড়ে এই ধরনের একটা চিন্তাভাবনা আছে। যেটা আমি মনে করি, বিএনপির জন্য কোনো ক্রাসিস না। বিএনপি এখনো এতো নেগেটিল ক্যাম্পেইন করার পরেও ইট ইজ দ্য লাজেস্ট পপ্যুলার পার্টি। যত সার্ভে করেন , রিপোট নেন এটা অবশ্যই থাকবে।”  

ঈদের প্রাক্কালে দুপুরে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বিএনপি মহাসচিব সাংবাদিকদের সাথে অনানুষ্ঠিক মতবিনিময় করেন। এতে অন্তবর্তীকালীন সরকারের কার্য্ক্রম, সংস্কার-নির্বাচন, রাজনৈতিক পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে সাংবাদিকদের খোলামেলা প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘ বাংলাদেশের মানুষ লিভারেল ডেমোক্রেসির জন্য যুদ্ধ করা জাতি। বাংলাদেশের মানুষ উদার গণতন্ত্রের বিশ্বাস করে, বাংলাদেশের মানুষ ধর্ম মানে, ভীষণ ধর্মভীরু। কিন্তু ধর্মান্ধ নয়… তাকে দিয়ে ধর্মের নামে কিছু করাতে পারবেন না। আজ পর্যন্ত ৫৪ বছর হয়েছে এদেশের মানুষ ধর্মকে নিয়ে কোনো উন্মাদনা এখানে হয়নি। ছাপ লাগানোর চেষ্টা করেছে আওয়ামী লীগ তার নিজের স্বার্থে যে, জঙ্গিবাদ বাড়ছে, অমুক বাড়ছে, তমুক বাড়ছে। তবে হ্যাঁ ভয় আছে। আজকে যদি লিভারেল পার্টিগুলোকে যদি সুযোগ কম দেয়া হয়, তাদেরকে যদি আটকে দেয়া হয় তাহলে কিন্তু জঙ্গিবাদের উত্থানের যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে।”

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘আমরা রাজনীতি করি, আমাদের রাজনীতিতে নিশ্চয়ই কৌশল থাকবে, আমাদের রাজনীতি ও কথার মধ্যে ডিপ্লোমেসি থাকবে…এটা বাস্তবতা। আমরা সুস্পষ্টভাবে যেটা কথা বলার চেষ্টা করেছি যে, আওয়ামী লীগ রাজনীতি করবে কি করবে না এই সিদ্ধান্তটা নেবে জনগন। কিভাবে নেবে, না নেবে সেই সিদ্ধান্ত পরের। কিন্তু আমি মনে করি যে, পিপলস হু উইল ডিসাইড যে, আওয়ামী লীগ রাজনীতি করবে কি করবে না। তবে এই ব্যাপারে আমাদের কোনো সন্দেহ নাই, আমাদের কোনো দ্বিমত নাই  যে, যারা গণহত্যার সাথে জড়িত তাদেরকে অবিলম্বে আরও দ্রুততার সঙ্গে বিচার হওয়া উচিত এবং শাস্তি হওয়া উচিত।”  

জনগন কিভাবে সিদ্ধান্ত নেবে জানতে চাইলে ‘অনেক পথ আছে… এটা এখন সুস্পষ্টভাবে বলা যাবে না’ বলে মন্তব্য করেন বিএনপি মহাসচিব।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘কালকে আমি একটা অনুষ্ঠানে বলেছি যে, আমার কাছে গত কয়েকদিনের ঘটনা থেকে ফাস্ট টাইম হয়েছে যে, দেয়ার ইজ এ টেন্ডেন্সি… একটা প্রবণতা আছে যে, নির্বাচনকে পিছিয়ে দেয়ার। এটা কনসাসলি কিছু কিছু মহল নির্বাচনকে পিছিয়ে দিতে চান। এতে তাদের নিজেদের স্বার্থ থাকতে পারে, বিভিন্ন সমস্যা থাকতে পারে সেজন্য তারা নির্বাচনকে কিছুটা পিছিয়ে দিতে চান। সংস্কারের কারণে পিছানোর আমি কোনো যৌক্তিক কারণ খুঁজে পাই না। সংস্কার সংস্কারের মতো চলবে, নির্বাচন নির্বাচনের মতো চলবে। তারপরও তো আমরা বলেছি যে, একটা অর্থবহ নির্বাচনের জন্য, গ্রহনযোগ্য নির্বাচনের জন্য যেটুকুন ন্যুনতম সংস্কার করা দরকার বিশেষ করে নির্বাচন ব্যবস্থার, বিচার ব্যবস্থার, আইনশৃঙ্খলা ব্যাপার… এটা দ্রুত করতে হবে।”

নির্বাচন নিয়ে সংকট তৈরি কি করবে জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘‘ যদি দেখা যায় যে, নির্বাচনের ব্যাপারে আপনার বিভিন্ন সমস্যা তৈরি হচ্ছে। নির্বাচনটা দরকার জনগনের স্বার্থে। সেই কারণে আমরা মনে করি যে, ইন দ্যাট কেইস আমাদেরকে আবার রাস্তায় নামতে হতে পারে।”

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘ এটা আমি মনে করি, সত্যের জয় হয়েছে। নির্বাচন যে সঠিক ছিলো না আওয়ামী লীগের আমলে সেটা প্রমাণিত হয়েছে এবং এই রায়ে ন্যায়ের বিজয় হয়েছে।এখন ইশরাকের বিষয়টি ইশরাক ডিসাইড করবেন নাকি পার্টি ডিসাইড করবেন। এই বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।”

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘‘আমরা বলছি যে, আমরা কোনো দেশের পক্ষে নই। আমরা কোনো দেশের স্বার্থ পালন করতে চাই না। আমরা যেটা করতে চাই, আমাদের স্বার্থ।আমাদের পানির সমস্যার সমধান যদি হয়, আমাদের সীমান্তে যদি হত্যা বন্ধ হয়, আমাদের যদি বানিজ্যের ভারসাম্যতা ঠিক হয় তাহলে অবশ্যই সেগুলোতে আমরা গুরুত্ব দেবো।সেই সঙ্গে ভারতও তার স্বার্থ দেখবে….। ঠিক একইভাবে পাকিস্তানের সাথে আমাদের ট্রেড বাড়ছে… সেটাকে আমরা ওয়েলকাম জানাই, আরও বাড়ুক সেটা আমরা ওয়েলকাম জানাই। আমেরিক ইন্টারেস্ট হচ্ছে কিছু কিছু জায়গায় ইনভেস্টমেন্ট করার জন্য.. যদি ইনভেস্টমেন্ট করে অত্যন্ত ভালো… চীন যদি ইনভেস্ট করে ভালো। আমাদের লক্ষ্যটা হচ্ছে কি? এখানে বিভিন্ন দেশ বিনিয়োগ করুক… তাতে করে আমাদের কর্মসংস্থান বাড়ুক, আমার ইকোনমীটা আরও সমৃদ্ধ হোক দেট ইজ মাই ইন্টারেস্ট।কিন্তু ইডিভিজুয়ালি যেটা ইচ্ছাকৃতভাবে চিহ্নিত করা। এটা পেছনে একটা উদ্দেশ্য আছে… হীন উদ্দেশ্যে যে বিএনপিকে ভারতপন্থি হিসেবে চিহ্নিত করা।”

তিনি বলেন, ‘‘১৫/১৬ বছর না ভাই… বিএনপির জন্মের পর থেকে বিএনপি যে অবস্থান নিয়েছে সেটা হচ্ছে দেশের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। জিয়াউর রহমান সাহেব থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত আমাদের একটা পদক্ষেপ কি দেশের স্বার্থের বাইরে গেছে … যায়নি। যাবেও না। কারণ আমরা একটা ন্যাশানালিস্ট পার্টি… জিয়াউর রহমানের আদর্শে দীক্ষিত, বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শে দীক্ষিত। সুতরাং ওই কথাগুলো যারা বলে… আই টেল হিয়ার পলিটিক্যাল মুটিভ নিয়ে বলে।কারণ বিএনপি হচ্ছে সবচেয়ে জনপ্রিয় দল… বিএনপিকে যদি ওইভাবে ম্যালাইন করা যায়, জনপ্রিয়তা যদি কমানো যায় তাহলে ভালো লাভ হবে… এই কাজ তারা করছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু কিছু ব্যক্তির বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে বিএনপি বলেন, “আমি তাদের কথার মধ্যে এনার্কি খুঁজে পাই, নৈরাজ্য খুঁজে পাই। এই কথাগুলো যারা বলছেন তারা আসলে কার পারপাজ সার্ভ করছেন? এটা প্রশ্ন করা উচিত যে, আপনি যে প্রশ্নগুলো করছেন, দেশের নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে চাচ্ছে, অরাজগতা সৃষ্টি করতে চাচ্ছে, এতে কার পারভাজ সার্ভ হচ্ছে। তারই পারপাজ সার্ভ হচ্ছে যে, বাংলাদেলে বিরুদ্ধে, যে বাংলাদেশের ক্ষতি করতে চায় তারই তো পারপাজ সার্ভ করা হচ্ছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘আমি মনে করি যে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করা কোনো মতেই উচিত না। এটা দেশপ্রেমিক সেনা বাহিনী আমাদের… এটা শুধু আমাদের কাছে স্বীকৃত না, আন্তর্জাতিকভাবেও স্বীকৃত। আমি জাতিসংঘের মহাসচিব গুতেরাস সাথে মিটিংয়ে নিজে উপস্থিত ছিলাম। তিনি যে উচ্ছসিত প্রশংসা করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এতে আমি নিজেকে খুব গর্বিত বোধ করেছি। ৫ আগস্টের সময়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যে ভূমিকা পালন করেছে… তারা প্রমাণ করেছে যে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী হচ্ছে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী… জনগনের সঙ্গে সমসময় আছে। সুতরাং আমাদের সেনাবাহিনীকে নিয়ে যারা কথা-বার্তা বলে, তাদেরকে বিতর্কিত করতে চায় আমি মনে করি না যে তারা বাংলাদেশের স্বার্থের পক্ষে থাকে।”

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় কয়েকজন উপদেষ্টা সম্পর্কে রিপোর্ট দেখেছি তাতে করে বলা যেতে পারে আমরা আশাহত হয়েছি। যেমন সরকারের টাকা বিভিন্ন খাতে সেই সমস্ত উপদেষ্টা যারা আপনার জড়িত তারা ব্যয় করছেন… দলের সঙ্গে যারা জড়িত… এটা কখনো নিরপেক্ষতা বহন করতে পারে না। দলকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করা এটাও আমরা শুনতে পারছি বিভিন্ন পত্র-পত্রিকাতে দেখতে পারছি। এগুলো আমরা মনে করি যে, নিরপেক্ষতা হারাচ্ছে। আমরা যেটা আশা করি, আমরা একটা টোটাল নিউট্রেলিটি আশা করি ফরম দ্য গভার্মেন্ট… অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস সাহেবের কাছে এটা বেশি আশা করি। অধ্যাপক ইউনুস সাহেব যদি মনে করেন কারো জন্য নিরপেক্ষতা ব্যাহত হচ্ছে তাকে কেবিনেট থেকে বের করে দেয়া উচিত। হি সুড বি ক্লিন। তা যদি না হয় তাহলে তো মানুষ মনে করবেই যে সরকার নিরপেক্ষ থাকতে পারছে না।”

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘‘সরকার নিরপেক্ষ না হলে আমরা কোনো মতেই সেটা মেনে নেবো না। যদি এরকম কিছু দাঁড়ায় যে, নিউট্রেল না তাহলে তো মেনে নেয়ার প্রশ্ন উঠে না।”

তবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘‘এখনই সরকার নিউট্রেল না এরকম কোনো পরিস্থিতি আমরা দেখছি না।যদিও অনেকটা আমরা ওভারলুক করে যাচ্ছি। যেমন আপনার সরকারি টাকা বরাদ্ধ করা, সুনির্দিষ্ট এলাকাতে মসজিদের জন্য, মন্দিরে জন্য টাকা দেয়া, উন্নয়নের জন্য কাজ নেয়া … এগুলো তো হচ্ছে। এগুলো কি ম্যাসেজ বহন করে। এগুলো ম্যাসেজ বহন করে দ্যাট এ্যাফেকশন অব দি গভমেন্ট ইজ নট নিউট্রাল।

‘ওভারলুক’ বলতে কি বুঝিয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘‘ আমরা যৌক্তিক সময় দিচ্ছি …দেখা যাক ইউনুস সাহেব কিভাবে রি-অ্যাকট করেন।

‘এনসিপি কি রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পাচ্ছে?’ মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘ এই মুহুর্তেই আমি এই বিষয়ে কমেন্টটা করব না। তবে আপনাদের পত্র-পত্রিকা, মিডিয়াতে এই ধরনের কিছু কিছু নিউজ বেরুচ্ছে সেগুলো আমরা অবজারবেশন করছি।”

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, সব মামলার ফয়সালা হওয়ার পরও তারেক রহমান কবে আসবেন সে বিষয়ে বিএনপির কাছ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায় না… প্রশ্ন করলে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘দেখুন সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা একটা রাজনৈতিক দলের পক্ষে দেওয়া খুব কঠিন হয়। বিশেষ করে যখন আমাদের স্ট্র্যাটেজি এখন এখনও নির্ধারিত হয়নি, আমরা আমাদের নির্বাচনের স্ট্যাট্রেজি এখনও নির্ধারণ করেনি।‘ আমরা যখন এটা নির্ধারণ করতে পারবো তখন সুস্পষ্টভাবে এই বিষয়ে বলতে পারব।”

অধ্যাপক ইউনুসের চীন সফর প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘উনার(প্রধান উপদেষ্টার) চীন সফরকে আমি ভালোভাবে দেখি, ইতিবাচকভাবে দেখি। আমার মনে হয়েছে যে, পজেটিভ ম্যাসেজ আমরা পেয়েছি। কারণ ভূ-রাজনৈতিকভাবে চীনের সাথে সম্পর্ক তৈরি করা এটা আমাদের খুব প্রয়োজন। আমরা আমাদের দলের পক্ষ থেকে ঘোষিত নীতি সেই নীতিকে খুব পরিস্কার করে বলা আছে যে, উই আর ফ্রেডস টু অল। সেখানে চীন বলেন, আমেরিকার বলেন, যুক্তরাজ্য বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বলেন, ভারত বলেন, পাকিস্তান বলেন সকলের সঙ্গে আমরা একটা সুসম্পর্ক তৈরি করতে চাই। আমরা ছোট দেশ। আমাদেরকে সকলের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখেই কাজ করতে হবে। আমরা তো সুপার পাওয়ার না যে, আমাদের কর্তৃত্ব দরকার। আমাদের স্বার্থে যেটুকু দরকার আমাদের অবশ্যই সম্পদশালী দেশসমূহ বিশেষ করে চীন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারত, পাকিস্তান, মিয়ানমার ভালো সম্পর্ক রাখা প্রয়োজন বলে আমরা মনে করি।”

সায়মা ইসলাম

×