
ছবি: সংগৃহীত
ভোলা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা কাজী হারুনুর রশিদ বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনের বিপক্ষে নয়, তবে প্রয়োজনীয় সংস্কার করে তারপর নির্বাচন দিতে হবে। ময়দান প্রস্তুত না করে প্রার্থী ঘোষণা করলে জামানত হারাতে হবে। কারণ আওয়ামী ফ্যাসিবাদীদের নিয়োগ করা লোকদের বহাল রেখে নির্বাচন দিলে জনগণের রায়ের সঠিক প্রতিফলন হবেনা। তিনি একটি দলের প্রতি ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, একটি দলের মহাসচিব শুধু ঈদের পরে আন্দোলন, বর্ষার পরে, ডিসেম্বরে আন্দোলন করার কথা বলতেন। কিন্তু তারা খালেদা জিয়ার বাসার সামনের বালুর ট্রাক সরাতে পারেননি, খালেদা জিয়াকে বাসা থেকে বের করে দিয়েছে, জেলে নিয়েছে একদিনও ভালো করে হরতাল দিতে পারেননি। তারা এখন নির্বাচন না দিলে আন্দোলনের হুমকি দেন। জনগণ আপনাদের এসব হুমকি আর মানবে না। আগামীতে জামায়াতে ইসলামী তিনশ আসনে নির্বাচন করবে।
বুধবার ভোলার লালমোহন উপজেলা মাল্টিপারপাস অডিটরিয়ামে জামায়াতে ইসলামীর ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, আগামী মাসে লালমোহন - তজুমদ্দিন আসনের প্রার্থী ঘোষণা করা হবে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ৮ টি কেন্দ্র কমিটি করতে হবে। জনগণের ভোট পাহারা দিতে না পারলে ভোট চোরেরা জনগণের রায় ছিনিয়ে নিবে।
লালমোহন উপজেলা আমীর মুহাদ্দিস মাওলানা আব্দুল হকের সভাপতিত্বে সেক্রেটারি মাওলানা রুহুল আমিনের সঞ্চালনায় এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আখতার উল্লাহ, ঢাকা মহানগরীর উলামা বিভাগের নেতা ডঃ কামরুল ইসলাম শাহীন, সাবেক সচিব আব্দুল হালিম, ছাত্র শিবিরের সাবেক ভোলা জেলা সভাপতি লালমোহনের কৃতি সন্তান কাজী শাহে আলম, রহমত উল্লাহ সেলিম, আলমগীর হোসেন সোহাগ, কামরুল ইসলাম, বর্তমান সভাপতি জসিম উদ্দিন, ঢাকা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নেতা লালমোহন উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাইফুল্লাহ সেলিম, ঢাকা জামায়াতে ইসলামীর নেতা ইঞ্জিনিয়ার কামরুল ইসলাম, মোর্শেদ আলম চৌধুরী, পৌরসভা আমির কাজি সাইফুল ইসলাম, ধলিগৌরনগর আমীর মাওলানা জিয়াউল হক নোমান, লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়ন আমীর আব্দুল কাইয়ুম, লালমোহন সদর ইউনিয়ন আমির মাওলানা ফরিদ উদ্দিনসহ অন্যান্য ইউনিয়ন সভাপতিগণ।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিল্পীগোষ্ঠীর সদস্য শিহাবুদ্দিন মানিক, আব্দুর রহমান ও হাসনাইন আল মুসা সংগীত পরিবেশন করে আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি করেন।
আবীর