
বর্তমানে পুরো রাষ্ট্রটা একটা গুজবে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. মিজানুর রহমান।
সম্প্রতি একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের টকশোতে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এমন্তব্য করেন।
মিজানুর রহমান বলেন, বর্তমানে পুরো রাষ্ট্রটা একটা গুজবে পরিণত হয়েছে। এবং কোথায় কি হচ্ছে? কোথায় কি হবে জনগণও এটা নিয়ে খুবই সংখিত আছে। কারণ রাষ্ট্র ব্যবস্থা যদি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া থেকে অন্যদিকে ডাইভার্ট হয়ে যায় সে ক্ষেত্রে এটা হয়।
এক প্রশ্নের জবাবে গণফোরাম সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিগত ১৫ বছর ধরে শেখ হাসিনার সরকার সমস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশেষ করে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো যা ছিল আদালত অঙ্গন বলেন, আমাদের নির্বাচন কমিশন থেকে নির্বাচন ব্যবস্থা বলেন অন্যান্য যা ছিল সবগুলোকেই তিনি তার নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করেছেন শুধু ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য। সেখানে মানুষের বাকস্বাধীনতা ছিল না।
তিনি বলেন, এই যে টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে এসে সরকারের বিরুদ্ধে যদি যৌক্তিক কোন সমালোচনা করেও বাড়ি ফিরে যেতে পারে না এরকম ঘটনাও তার পিছনে ছিল সব জায়গায়। মুক্ত বা স্বাধীনভাবে কথা বলার কোন পরিবেশ ছিল না। যে কারণে মানুষ ক্ষুব্ধ হয়েছিল এবং ছাত্রদের কোটা সংস্কার আন্দোলনে যখন শেখ হাসিনার পেটুয়া বাহিনী নির্বিচারে গুলি করে মানুষকে মারা শুরু করে তখন আমরা সকল রাজনৈতিক দল এবং আপামর জনগণ রাস্তায় নেমে এসেছিলাম। এর পরিপ্রেক্ষিতে একটি অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা হয়।
ডা. মো. মিজানুর রহমান বলেন, এই সরকারের সময় এসে আমাদের যে ছাত্র সমাজ যে তরুণ নেতৃত্ব যারা রাজপথে দাঁড়িয়ে নেতৃত্ব দিয়েছে আমরা সমর্থন করেছি। তারা এখন একটি রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করেছে। আমরা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে একটি রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠাকে স্বাগত জানাই। কিন্তু সরকারের মধ্যে থেকে বা সরকারের প্রটোকল নিয়ে সরকারের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা নিয়ে এ ধরনের রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা এটা আমরা যারা রাজনীতির মাঠে আছি আমরা কিংবা এদেশের জনগণ সেটাকে স্বাভাবিকভাবে নেয়নি। পাশাপাশি যারা এই রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন তাদের অতি কথন এবং অপরিপক্ষ যে সমস্ত আলোচনা বা বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াকেন্দ্রিক আমরা যা দেখছি এতে করে জনগণের মধ্যে এবং আমরাও নানাভাবে বিভাজন বিভক্তিতে চলে যাচ্ছি।
সজিব