
ছবি: সংগৃহীত।
লেখক জান্নাতুন নাঈন প্রীতি আজ (২১ মার্চ) তার ভেরিফাইড ফেসবুক পোস্টে ‘যে দল ইলেকশনকে ভয় পেয়ে নাটক করে ইলেকশনই তুলে দিছিলো, তাদের ভয় পাওয়ার কি আছে?’ বলে একটি মন্তব্য করেছেন।
তিনি তার পোস্টে উল্লেখ করেন যে, হাসনাত আবদুল্লাহ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ের দিক ইঙ্গিত করেছেন। তার মতে, আওয়ামী লীগ কারা রাজনীতিতে আসার সুযোগ পাবে, সেটি নির্ধারণে ক্যান্টনমেন্ট একটি বড় ভূমিকা রাখে। তিনি দাবি করেন, ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুরক্ষিত দেশত্যাগ সম্ভব হতো না ক্যান্টনমেন্টের সহায়তা ছাড়া।
প্রীতি আরও বলেন, আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে টিকে থাকতে হলে জুলাই মাসে ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ডের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে এবং তাদের দলীয় প্রধানকে দেশের আদালতে হাজির করতে বাধ্য করতে হবে। তিনি এনসিপির পপুলিজম চর্চার প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করেন এবং এ বিষয়ে হাসনাত আবদুল্লাহকে ব্যক্তিগতভাবে মতামত জানিয়েছেন।
পোস্টে তিনি জামায়াতকেও ক্ষমা চাইতে বলার আহ্বান জানান, অন্যথায় রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে আওয়ামী লীগই থেকে যাবে বলে মত দেন। পাশাপাশি, তিনি উল্লেখ করেন যে আওয়ামী লীগ ও জামায়াত উভয়ই ‘ডিনায়াল পলিটিক্স’ চর্চা করে আসছে।
তিনি জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদন উদ্ধৃত করে দাবি করেন যে, শেখ হাসিনা ছাত্রনেতাদের নিপীড়নের নির্দেশ দিয়েছিলেন এবং এই সহিংসতায় শিশুরাও শিকার হয়েছে। এছাড়া, সামরিক বাহিনীর নিয়োগ বাণিজ্য ও পিলখানা হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি ভবিষ্যতে এর গুরুতর পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করেন।
আওয়ামী লীগের নির্বাচন কার্যক্রম নিয়ে সমালোচনা করে প্রীতি বলেন, দলটি সাধারণ মানুষের সমর্থন ছাড়াই তিনবার ‘পাপেট নির্বাচন’ করেছে এবং তাদের দলীয় প্রধান দেশত্যাগের পর এখন নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলছে, যা তার মতে হাস্যকর।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগই নির্বাচনের প্রতি আতঙ্কিত এবং দলটি নিজেরাই ভোটের ভয় পায়। তার ভাষায়, “কুকুরের কামড়ে মানুষের জলাতঙ্ক হয়, আওয়ামী লীগের আচরণের নাম ভোটাতঙ্ক।” তিনি আওয়ামী লীগের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, “নেশা কেটে গেলে তোমাদের নির্বাচনভীতি কেটে যাবে।”
সায়মা ইসলাম