
ছবি: সংগৃহীত।
রাজশাহীতে চার সমন্বয়ককে আটকে রেখে চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলা হলেও তারা এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তারা দাবি করেছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহায়তা করতে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে তাদেরকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে সমন্বয়করা জানান, তারা "অপারেশন ডেভিল হান্টার"-এর আওতায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করছিলেন। তাদের ভাষ্যমতে, জুলাই গণহত্যার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের কাজে তারা সেখানে গিয়েছিলেন।
তারা আরও বলেন, সম্প্রতি রাজশাহী নগরীর পদ্মা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত বারিন মেডিকেল কলেজ থেকে অভিযোগ আসতে থাকে যে, সেখানে সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের বাবা, যিনি প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন, তার ছত্রছায়ায় বেশ কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী কাজ করছেন।
এই অভিযোগের ভিত্তিতে তারা তথ্য সংগ্রহের জন্য প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত সচিব তাজুল ইসলামের সঙ্গে আলোচনা করতে যান। তবে আলোচনার একপর্যায়ে সেখানে কর্মরত কিছু কর্মকর্তা ও কর্মচারী, যারা রাজনৈতিকভাবে সংশ্লিষ্ট, তাদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরা সেখানে জড়ো হয়ে তাদের আটকে ফেলে।
পরিস্থিতি জটিল হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় তারা সেখান থেকে বের হয়ে আসেন।
তারা অভিযোগ করেন, এই ঘটনাকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের চাঁদাবাজ হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে, যা তাদের মর্যাদাহানির চেষ্টা। তারা এ ধরনের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
তারা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, চাঁদাবাজির কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং তারা শুধুমাত্র আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করছিলেন।
সায়মা ইসলাম