ঢাকা, বাংলাদেশ   শনিবার ০১ মার্চ ২০২৫, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩১

রমজানে নিত্যপণ্য

প্রকাশিত: ২১:০৩, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

রমজানে নিত্যপণ্য

সৃষ্টিকর্তাকে খুশি করার এক উত্তম সময় হলো পবিত্র মাহে রমজান। এ মাসে সকলেই বেশি বেশি ইবাদত বন্দেগি করে স্রষ্টাকে খুশি করায় ব্যস্ত থাকেন। রমজান আসতে দেরি নেই। রমজান মাসকে কেন্দ্র করে গত এক মাস যাবৎ ব্যবসায়ীরা খাদ্যপণ্য মজুদ করায় ব্যস্ত। সুষ্ঠু বণ্টনের জন্য নয়, বরং বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির লক্ষ্যে। তাদের লক্ষ্য বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে পরবর্তীতে চড়া মূল্যে পণ্য বিক্রি করা। অনেক দেশেই রমজান মাসকে কেন্দ্র করে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য কমিয়ে দেওয়া হয়। যেন দেশের জনগণ অন্তত এই মাসে একটু ভালো খেতে পারে, আনন্দে কাটাতে পারে। কিন্তু আমাদের দেশে অসাধু কিছু ব্যবসায়ী রয়েছে, যারা বিভিন্ন অযুহাতে নিত্যপণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয়। এ মাসে যে পণ্যগুলো বেশি প্রয়োজন হয় যেমনÑ ভোজ্যতেল, ডাল, চিনি, খেজুর, পেঁয়াজ, ছোলা, মসলাজাতীয় পণ্যসহ অন্যান্য পণ্যের দাম কোনো কারণ ছাড়াই বাড়তে থাকে। ফলে নিম্নবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে রহমতের মাসটিকেও অতিবাহিত করা কষ্টসাধ্য হয়ে ওঠে।
এমনিতেই বর্তমানের বাজারমূল্যের জন্য প্রায় সকলকেই হিমশিম খেতে হচ্ছে। শাক-সবজি থেকে শুরু করে মাছ-মাংস এখন প্রায় ধরাছোঁয়ার বাইরে। রমজান মাসে সকলেই একটু আনন্দে কাটাতে চায়। কিন্তু এসব স্বার্থান্বেষী ব্যবসায়ী মহলের জন্য তা সম্ভব হয় না। সংকট তৈরি করে তারা প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে। প্রতি বছর এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলেও এর কোনো সুষ্ঠু সমাধান হচ্ছে না। কর্তৃপক্ষ যথাসাধ্য চেষ্টা করলেও এসব স্বার্থান্বেষী মহলের জন্যই বাজারমূল্য নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না। কর্তৃপক্ষের উচিত বাজারকে কড়া নজরদারির মধ্যে রাখা, বিশেষ করে আড়ত বা গুদামঘরকে নজরে রাখা এবং এসব ব্যবসায়ীকে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা। রমজান মাসসহ সারা বছর যেন জনমনে শান্তি বিরাজ করে তার উপযুক্ত ব্যবস্থা করা।

নাফিজ-উর-রহমান
ঢাকা কলেজ

×