ঢাকা, বাংলাদেশ   রোববার ০৬ এপ্রিল ২০২৫, ২৩ চৈত্র ১৪৩১

বাংলাদেশে জবের বন্যা বয়ে যাবে : প্রেস সচিব

প্রকাশিত: ২৩:৪৫, ৫ এপ্রিল ২০২৫; আপডেট: ২৩:৫৪, ৫ এপ্রিল ২০২৫

বাংলাদেশে জবের বন্যা বয়ে যাবে : প্রেস সচিব

ছবিঃ সংগৃহীত

দৈনিক আমার দেশ আয়োজিত "আমার দেশ সংলাপ" অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, প্রফেসর ইউনূস বারবার বলেছেন যে, বাংলাদেশে প্রচুর চাকরি তৈরি করতে হলে আমাদের জন্য ব্যাপক পরিমাণে বিদেশী সরাসরি বিনিয়োগ (FDI) প্রয়োজন। আর এর জন্য আমাদেরকে বিভিন্ন জায়গায় যেতে হবে, দরজায় দরজায় গিয়ে বলাতে হবে, “আমরা প্রস্তুত, আসুন, বিনিয়োগ করুন।” এজন্য যেখানে-সেখানে তিনি এই বার্তা প্রচার করেন, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, নিউইয়র্ক, ডাবলিন—যেখানেই যাওয়া, তাঁর মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশকে একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে উপস্থাপন করা এবং এই বিনিয়োগের আহ্বান করা। আর এমনটা যদি হয় তাহলে বাংলাদেশে জবের বন্যা বয়ে যাবে।" 

তিনি আরও জানান, বিমস্টেক সম্মেলনে সাইডলাইনে নানা মিটিংয়ে প্রফেসর ইউনূস বাংলাদেশের অর্জনগুলো তুলে ধরবেন এবং এই অঞ্চলে আরও বাণিজ্য ও সহযোগিতা বৃদ্ধির উপর গুরুত্ব আরোপ করবেন।

তিনি বলেন, প্রফেসর ইউনূসের মতে, বিদেশী বিনিয়োগ আসলে বাংলাদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে। তিনি বলেন, “যদি বিনিয়োগ আসে, তাহলে আমাদের তরুণ প্রজন্মের জন্য ব্যাপক পরিমাণে চাকরি সৃষ্টি হবে এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশ আরও শক্তিশালী হবে।”

তবে, তিনি সতর্ক করে বলেন, চাকরি হওয়া উচিত মানসম্মত, কোনও অকার্যকর চাকরি নয়। এর জন্য আমাদেরকে আমাদের পরিকাঠামো এবং লজিস্টিক সাপোর্ট আরও শক্তিশালী করতে হবে। একটি কার্যকর পোর্ট, উন্নত অবকাঠামো এবং ভালো লজিস্টিক সাপোর্টের মাধ্যমে আমরা এই লক্ষ্য অর্জন করতে পারি।

শফিকুল আলম আরও বলেন, “বাংলাদেশের উন্নতির জন্য শুধু সরকারের একার কাজ নয়, এটা সবার কাজ। আমাদের সকলের উচিত বাংলাদেশের প্রতি ইতিবাচক বার্তা পৌঁছানো, যাতে আন্তর্জাতিকভাবে বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি হয়।” তিনি বলেন, “আমরা এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় পার করছি। ইতিমধ্যে আমরা ৮ মাসের মতো একটি স্থিতিশীল জায়গায় পৌঁছেছি, এবং আমরা আরও ভালো অবস্থানে যেতে চাই, যাতে আমাদের গল্প পৃথিবীজুড়ে ছড়িয়ে যায়।”

তিনি বলেন, প্রফেসর ইউনুস আরও বলেছেন, বাংলাদেশকে তিনি একটি ম্যানুফ্যাকচারিং হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চান। যদি এটি সফল হয়, তাহলে বাংলাদেশের প্রচুর ফ্যাক্টরি গড়ে উঠবে, এবং শুধু দেশীয় বাজারের জন্য নয়, আন্তর্জাতিক বাজারের জন্যও পণ্য উৎপাদন হবে। এর ফলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম প্রধান উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

সবশেষে তিনি বলেন, “এটা আমাদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা চাই আমাদের ছেলে-মেয়েরা দেশের ভিতরে থেকে ভালো চাকরি করুক, দেশের উন্নতিতে অবদান রাখুক।"

সূত্রঃ https://www.facebook.com/watch/?v=1316041126351305&rdid=aLKyGCJsZIdOfBUM

ইমরান

×