ঢাকা, বাংলাদেশ   রোববার ০৬ এপ্রিল ২০২৫, ২৩ চৈত্র ১৪৩১

সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের কারণে অধ্যাদেশ জারির প্রক্রিয়ায় অনিশ্চয়তা

বিচার বিভাগের পৃথক সচিবালয় নিয়ে আইনি জটিলতা

বিকাশ দত্ত

প্রকাশিত: ২৩:৩৯, ৫ এপ্রিল ২০২৫

বিচার বিভাগের পৃথক সচিবালয় নিয়ে আইনি জটিলতা

সুপ্রিম কোর্টের অধীনেই বিচার বিভাগের পৃথক সচিবালয় হচ্ছে

সুপ্রিম কোর্টের অধীনেই বিচার বিভাগের পৃথক সচিবালয় হচ্ছে। যা সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় নামে অভিহিত হবে। এই সচিবালয়ের সার্বিক নিয়ন্ত্রণ থাকবে প্রধান বিচারপতির হাতে। পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সুপ্রিম কোর্ট থেকে পাঠানো এ সংক্রান্ত  খসড়া ও প্রস্তাবিত সচিবালয়ের অর্গানোগ্রাম যাচাই-বাছাই করছেন আইন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

এদিকে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। তবে সংবিধান বিশেষজ্ঞগণ ভিন্ন মত প্রকাশ করেছেন। কেউ বলেছেন, এটা সংবিধানের সঙ্গে কোনো ধরনের সাংঘর্ষিক হবে না। আবার কেউ বলেছেন, এই উদ্যোগ আইনি জটিলতার মুখে পড়তে পারে। 
ইতোমধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে খসড়া নীতিমালা। এই উদ্যোগকে যুগান্তকারী হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। এটাকে মাসদার হোসেন মামলার মূল স্পিরিটের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে করছেন তারা। সচিবালয়ের জন্য বাজেটে বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয় অনুমোদনে প্রধান বিচারপতিকে চূড়ান্ত কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করে এ সংক্রান্ত  খসড়া প্রণয়ন করেছে আইন মন্ত্রণালয়।

প্রণীত এই খসড়ার ওপর ইতোমধ্যে মতামত দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। ওই মতামত পাওয়ার পর সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫ নামে খসড়াটি চূড়ান্ত  করেছে আইন মন্ত্রণালয়। খসড়াটি অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ কর্তৃক নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার পরই রাষ্ট্রপতি কর্তৃক অধ্যাদেশ জারি হবে। তবে বিদ্যমান সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের কারণে অধ্যাদেশ জারির প্রক্রিয়া নিয়ে এক ধরনের অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে বলে আইন মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে।

সূত্র মতে, মন্ত্রণালয় মনে করছে বিদ্যমান সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ বহাল থাকাবস্থায় বিচার বিভাগের পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার আইন করা হলে তা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। এমন পরিস্থিতি এড়াতেই সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদের সংশোধন বা সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক বাতিল হলে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে মন্ত্রণালয়। তবে আইনজীবীরা বলছেন, ১১৬ অনুচ্ছেদ বহাল থাকলেও বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠায় অধ্যাদেশ জারি করতে আইনগত বাধা নাই।

এ প্রসঙ্গে বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের সদস্য সাবেক জেলা ও দায়রা জজ মো. মাসদার হোসেন বলেন, ১১৬ অনুচ্ছেদ বিচার বিভাগের পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে কোনোক্রমেই বাধা নয়। কারণ সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদের আলোকেই এই সচিবালয় প্রতিষ্ঠার গেজেট জারি হবে।
এদিকে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার দ্বারপ্রান্তে উল্লেখ করে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেছেন, ‘পৃথক সচিবালয় বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা ও স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।’ রংপুরের একটি হোটেলে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে ‘জুডিসিয়াল ইন্ডিপেন্ডেন্স অ্যান্ড এফিসিয়েন্সি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক আঞ্চলিক সেমিনারে তিনি শনিবার এ কথা বলেন।
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলামের দেওয়া এই সংক্রান্ত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘আজকের সেমিনারে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন নিশ্চিতকরণে বিচার বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন এবং তার ঘোষিত বিচার বিভাগ সংস্কারের রোডম্যাপ বাস্তবায়নের অগ্রগতি তুলে ধরেন।’

দেশের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদেরকে তার ঘোষিত সংস্কার রোডম্যাপ টেকসই করার উপায় উদ্ভাবনের আহ্বান জানিয়ে সেমিনারে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘বিচারিক সংস্কার শুধু বিভিন্ন খাতভিত্তিক সংস্কারের স্থায়িত্বের মূল চাবিকাঠিই নয়, বরং এটি এখন নিজেই ‘সংস্কার’ শব্দের প্রতীক হয়ে উঠেছে। বিচার বিভাগ হলো রাষ্ট্রের একমাত্র অঙ্গ, যা বহু দশক ধরে নিজের অভ্যন্তরীণ সংস্কারের জন্য সক্রিয়ভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে।

এই দাবির কেন্দ্রে রয়েছে নিজেদের সংস্কার কর্মসূচি নিজেরাই নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব। গত আট মাসে এই প্রচেষ্টা অভূতপূর্ব গতি অর্জন করেছে। এখন লক্ষ্য হলো সেই উদ্দেশ্য পূরণ করা এবং তা যেন ভবিষ্যতেও টিকে থাকে তা নিশ্চিত করা। একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে, আমরা কখনো ক্ষমতার পূর্ণ পৃথকীকরণের লক্ষ্যের এতটা কাছাকাছি আসিনি। যদি এই সুযোগ কোনোভাবে নষ্ট হয়, তবে তা বিচার বিভাগের মর্যাদা, অখ-তা এবং প্রাসঙ্গিকতার জন্য চরম ক্ষতিকর হবে।’
আইনজ্ঞরা বলছেন, বিচার বিভাগীয় সচিবালয় প্রতিষ্ঠা হলে অধস্তন আদালতের বিচারকগণের পদায়ন, বদলি, পদোন্নতি, শৃঙ্খলা, ছুটি ইত্যাদি বিষয়ে প্রচলিত দ্বৈত শাসনের অবসান ঘটবে। নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বিচার বিভাগের প্রকৃত স্বাধীনতা। অধস্তন আদালতের ওপর সকল ধরনের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক হস্তক্ষেপও বন্ধ হবে।

নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণসংক্রান্ত  মাসদার হোসেন মামলার রায়ের দুই যুগ পর পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছে নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। ২০০৭ সালে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে মাসদার হোসেন মামলার রায়ের আলোকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করা হয় বিচার বিভাগ। এরপর ১৭ বছর কেটে গেলেও আওয়ামী লীগ সরকার পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার কোনো উদ্যোগ নেয়নি।
সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার জৌতির্ময় বড়ুয়া জানান, আপাত দৃষ্টিতে কিছুটা পার্থক্য মনে হলেও সংবিধানের মূলমন্ত্র বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকেই বাস্তবায়িত করবে। এটা সংবিধানের সঙ্গে কোনো ধরনের সাংঘর্ষিক হবে না। অন্যদিকে সংবিধান বিশেষজ্ঞ শাহদীন মালিক বলেন, ‘সংবিধান হলো মাদর ল’। কোনো আইন বা অধ্যাদেশ করতে হলে সংবিধান অনুসরণ করেই করতে হবে।

সংবিধানের ভায়োলশেন করে কোনো আইন বা অধ্যাদেশ করা হলে সেটি ‘ভয়েড অব ইনিশিয়ো’, অর্থাৎ বাতিল বলে গণ্য হবে। তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবিত আইনে যদি পুরো এখতিয়ার সুপ্রিম কোর্ট, অর্থাৎ প্রধান বিচারপতিকে দেওয়া হয়, তাহলে অবশ্যই এই অনুচ্ছেদ দ্রুত পরিবর্তন বা বাতিল করতে হবে।’ বিচার বিভাগের জন্য একটি পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা বিচারক-আইনজীবীসহ অংশীজনদের দীর্ঘদিনের দাবি।

রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে দেশে আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতের কাজ সঠিকভাবে করতে এই সচিবালয় জরুরি। এটি প্রতিষ্ঠায় রয়েছে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতাও। ঐতিহাসিক মাসদার হোসেন মামলার রায়েও পৃথক সচিবালয় স্থাপনের নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু সেটি হয়নি।
গত ২১ সেপ্টেম্বর নি¤œœ আদালতের বিচারকদের উদ্দেশ্যে দেওয়া অভিভাষণে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় স্থাপনের জন্য শীঘ্রই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানান। এরই ধারাবাহিকতায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের সকল বিচারপতিদের মতামত গ্রহণ করে পৃথক সচিবালয় গঠনসংক্রান্ত প্রস্তাবনা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

প্রস্তাবনায় বলা হয়, বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ সংক্রান্ত মাসদার হোসেন মামলার রায়ে ক্ষমতার পৃথকীকরণের যে রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে তার অন্যতম মৌলিক ভিত্তি হলো দেশের বিচার বিভাগের জন্য একটি পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা।
খসড়ায় বলা হয়েছে, দেশের বিচার প্রশাসন পরিচালনায় সুপ্রিম কোর্টকে সহায়তা প্রদান করার লক্ষ্যে অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সকল সাচিবিক দায়িত্ব পালন করবে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়। এই সচিবালয়ের প্রশাসনিক প্রধান হবেন সচিব। যিনি বিচার কর্ম বিভাগে নিযুক্ত অধস্তন আদালত বা ট্রাইব্যুনালের বিচারক বা বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসের কোনো সদস্য।

তিনি সরকারের সিনিয়র সচিবের সমমর্যাদা ও সুবিধাদি ভোগ করবেন। অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়োগ, পদায়ন, বদলি, শৃঙ্খলা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয় ছাড়াও হাইকোর্ট বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন সকল আদালত বা ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের নিয়োগ ও চাকরির শর্তাবলি নির্ধারণ করবে।

সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইন সাপেক্ষে রাজস্ব আদালতসমূহ ব্যতীত হাইকোর্ট বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন দেশের সকল অধস্তন দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত ও ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা, এখতিয়ার, ক্ষমতা ও গঠন নির্ধারণ করবে। অধস্তন আদালত ও সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের বাজেট ব্যবস্থাপনা, অধস্তন আদালত এবং বিচারকগণের নিরাপত্তা তত্ত্বাবধান করবে বলে খসড়ায় উল্লেখ করা হয়েছে।
আইনজ্ঞরা বলছেন, রাষ্ট্রপতির ওপর সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অধস্তন আদালতের বিচারকদের বদলি, পদায়ন-পদোন্নতি ও শৃঙ্খলা বিধানের কর্তৃত্ব ন্যস্ত রয়েছে। তাদের মতে সংবিধানের এই অনুচ্ছেদ বলবৎ থাকা অবস্থায় নতুন অধ্যাদেশ প্রণয়ন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে। ফলে এটি পরিবর্তন বা সংশোধনের প্রয়োজন।

সুপ্রিম কোর্ট সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বিচার বিভাগীয় সচিবালয় তৈরির বিষয়টি আইন মন্ত্রণালয়ে সক্রিয়ভাবে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আশা করা যায় অচিরেই বিচার বিভাগের জন্য পৃথক সচিবালয় স্থাপনের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট ও মন্ত্রণালয় কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপসমূহ দৃশ্যমান হবে।
এদিকে সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের কারণে বিচার বিভাগে যে দ্বৈত শাসন চলে আসছে তার অবসান হওয়া দরকার বলে মনে করেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। গত ২১ সেপ্টেম্বর দেওয়া অভিভাষণে তিনি বলেন, সংবিধানের ১১৬-ক অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে অধস্তন আদালতের বিচারকগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকবেন।

কিন্তু বিচারকদের প্রকৃত স্বাধীনতা ততদিন পর্যন্ত নিশ্চিত হবে না, যতদিন না বিচার বিভাগে দীর্ঘদিন ধরে বিরাজমান দ্বৈতশাসন ব্যবস্থার অবসান না হয়। অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্ট ও আইন মন্ত্রণালয়ের যৌথ এখতিয়ার সম্পূর্ণরূপে বিলোপ করে জরুরি ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের অধীনে পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
এদিকে ১১৬ অনুচ্ছেদের বৈধতা প্রশ্নে গত নভেম্বরে হাইকোর্টে পৃথক দুটি রিট আবেদন করেছেন সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী। দুই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে ওই অনুচ্ছেদের বৈধতা প্রশ্নে রুল জারি করেছেন আদালত। সেটি এখনো চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়ায় অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা নিয়ে আইনগত প্রশ্ন দেখা দিয়েছে বলে জানান রিটকারীরা।

সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচার বিভাগীয় দায়িত্ব পালনরত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল নির্ধারণ, পদোন্নতি দান ও ছুটি মঞ্জুরিসহ) ও শৃঙ্খলা বিধান রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত থাকবে এবং সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তা প্রযুক্ত হবে।’

×