ঢাকা, বাংলাদেশ   রোববার ০৬ এপ্রিল ২০২৫, ২৩ চৈত্র ১৪৩১

জুলাইয়ে আমরা সংস্কারের বিষয়ে বেটার একটা শেপ পাব: প্রেস সচিব শফিকুল আলম

প্রকাশিত: ২৩:০৫, ৫ এপ্রিল ২০২৫; আপডেট: ২৩:০৬, ৫ এপ্রিল ২০২৫

জুলাইয়ে আমরা সংস্কারের বিষয়ে বেটার একটা শেপ পাব: প্রেস সচিব শফিকুল আলম

ছবিঃ সংগৃহীত

দৈনিক আমার দেশ আয়োজিত 'আমার দেশ সংলাপ' অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, "আমাদের আরেকটা লক্ষ্য—আমাদের রিফর্মের কাজগুলোকে আরো গুছিয়ে আনা। গুছিয়ে এনে জনগণের মধ্যে একটা আলোচনার একটা জায়গা তৈরি করে যাতে আমরা একটা ঐক্যের জায়গা তৈরি করতে পারি। সেটা তৈরি করা এবং শেষে গিয়ে আমরা একদম ভালো প্রিপারেশন নিয়ে একটা ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ইলেকশন করা।

তিনি বলেন, আমাদের এই কনসেন্সাস কমিশন, যেটা ঐক্যমত কমিশনের কাজ হবে, যে এই সবগুলোকে নিয়ে যাতে একটা সুন্দর ডিবেট হয়, সবাই যাতে কন্ট্রিবিউট করে, পুরো জনগণ যাতে ইনভলভ হয়—পলিটিক্যাল পার্টির সাথে যাতে, পত্রিকাগুলোতে, টিভিগুলোতে, ইভেন এখন তো ইউটিউবেও ভালো ডিবেট হয়, সব জায়গায় এই ইস্যুগুলো আসে—সেজন্য সবাই এগুলো কন্ট্রিবিউট করতে পারে। ফলে আমরা একটা এই ডিবেটের পরবর্তীতে যেয়ে দেখতে পারবো যে একটা শেপ নিবে—কি কি রিফর্ম আসলে সমস্ত পার্টি ঐক্যমতভাবে চাচ্ছে।"

উপস্থাপক বলেন, "মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিএনপির মহাসচিবের একটা বক্তব্য নিয়ে আসতে চাই, উনারা একটা এমন কথাও বলছেন যে—আমরা রাজপথে নামতে পারি। তো উনি হঠাৎ করে রাজপথে নামার এই হুমকিটা কেন দিলেন? আপনারা কি নির্বাচনকে আসলেই পিছিয়ে নিয়ে যেতে চাচ্ছেন, নাকি নির্বাচন নিয়ে কোন ধরনের ষড়যন্ত্র চলছে?"

শফিকুল আলম বলেন, "আমার মনে হয় যে আমাদের চিফ অ্যাডভাইজার, এটা নিয়ে অনেক বলেছেন। উনি তো সর্বশেষ বক্তৃতায় বলেছেন যে—ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে। এর বাইরে কি উনি ব্যক্ত করেছেন? একটা কথা বলেছেন—এই গভমেন্টের হেড অফ দ্য গভমেন্ট হচ্ছেন চিফ অ্যাডভাইজার, উনি কি বলেছেন সেটাই ম্যাটার করে। অন্য কে কি বলল সেটা ম্যাটার করে না। সবচেয়ে মূল কথা হচ্ছে—উনি বারবার বলছেন, প্রথম থেকে উনি বলেছেন যে—যদি কম রিফর্ম হয় তাহলে ডিসেম্বরেই। আর যদি বেশি রিফর্ম সবাই চায়, তাহলে জুন পর্যন্ত এটাকে ডিলে করা যেতে পারে।"

উপস্থাপক বলেন, "এখন আপনারা কি মনে করছেন যে তারা কম রিফর্ম না বেশি রিফর্মের পক্ষে?"

শফিকুল আলম বলেন, "এটা তো পলিটিক্যাল পার্টিগুলো ডিসাইড করবে। আমরা তো বলতে পারি না। এখানে সিদ্ধান্ত আসলে খাটেই না। আর আমি বলে ফেললে হবে যে—পাবলিক, ওনারা ভাববেন যে আমি একটা সাইড নিচ্ছি। আমরা এখানে কোন সাইডই নিব না। আমরা মনে করি যে পলিটিক্যাল পার্টিগুলোই ডিসাইড করুক—কি তারা চায়, কতটুকু আসলে? আপনারা কতটুকু রিফর্ম করে নির্বাচনে যাবেন? সবাই মিলে ঐক্যমত হলে, তারপরে না হয় ওরাই বলবে—আপনারা ১০% করে যান, বাকি ৯০% এরা করবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা মনে করি যে—আমাদের কাজ হচ্ছে আমরা ফ্যাসিলিট করি। ডিবেটটা ফ্যাসিলিট করি, ডিসকাশনগুলো আরো স্মুথ হোক। পলিটিক্যাল পার্টির সাথে ইন্টেন্সিভলি। এমন হতে পারে যে—একদম ক্লোজড ডোর মিটিং হলো। এবং জুলাইয়ে আমরা মনে করি যে একটা বেটার শেপ পাব এই সংস্কারের বিষয়ে।"

সূত্রঃ https://www.facebook.com/watch/?v=1316041126351305&rdid=aLKyGCJsZIdOfBUM

ইমরান

আরো পড়ুন  

×