ঢাকা, বাংলাদেশ   রোববার ০৬ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১

ঢাকার ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে তাশরিফের পরামর্শ

প্রকাশিত: ১৬:৩০, ৫ এপ্রিল ২০২৫; আপডেট: ১৭:২৮, ৫ এপ্রিল ২০২৫

ঢাকার ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে তাশরিফের পরামর্শ

ছবিঃ সংগৃহীত

ঢাকার ট্রাফিক পরিস্থিতি নিয়ে এক ফেসবুক পোস্টে সংগীতশিল্পী তাসরিফ হাসান একটি ছোট কিন্তু বাস্তবভিত্তিক ও কার্যকর পরামর্শ তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, ঢাকার বাসগুলোর বেপরোয়া চলাচল ও রাস্তা আটকে যাত্রী উঠানামার কারণে যে দুর্ভোগ তৈরি হয়, তা শুধু সরকার বা ট্রাফিক বিভাগের নিয়ম কানুনে নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়।

তাসরিফ বলেন, “রং পাল্টে, রুট পাল্টে কিংবা লাইসেন্স নিয়েও সমস্যার সমাধান হয় না। বরং বাস মালিকরা সুযোগ পেলেই ধর্মঘটে চলে যায়।”

তিনি প্রশ্ন তোলেন, “কত জায়গায়ই বা সিসিটিভি বসানো সম্ভব আর কত জায়গায় ট্রাফিক মোতায়েন করা সম্ভব?”

এই বাস্তবতা থেকে উত্তরণের জন্য তিনি একটি ডিজিটাল পদ্ধতি চালুর প্রস্তাব দেন। তাঁর পরামর্শ, একটি সরকারি ওয়েবসাইট বা অ্যাপ চালু করে, যেখানে সাধারণ মানুষ ছবি বা ভিডিওসহ বাস বা অন্য যেকোনো গাড়ির ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ জমা দিতে পারবে। অভিযোগ যাচাই করে নির্ধারিত পরিমাণে জরিমানা আরোপ করা যেতে পারে।

তাসরিফের মতে, “মূল গেইমটা হচ্ছে—জরিমানা ড্রাইভারের কাছ থেকে নয়, জরিমানা নিতে হবে বাস মালিক বা কোম্পানির কাছ থেকে। কারণ ড্রাইভাররা পুলিশ বা সরকারের কথা না শুনলেও মালিকের কথা শুনতে বাধ্য, না হলে চাকরি হারাবে।”

তিনি আরও বলেন, “প্রতিদিন যখন নির্দিষ্ট কোম্পানি দেখবে যে ড্রাইভারের ভুলের জন্য কোম্পানিকে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে, তখন তারা নিজেরাই কঠোরভাবে ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে।”

এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সরকার সরাসরি কোনো আন্দোলনের মুখে পড়বে না, কারণ এটি হবে আইনভঙ্গের শাস্তি। অপরদিকে, জনগণও সরাসরি অংশগ্রহণ করে সরকারের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করতে পারবে।

তাসরিফ বলেন, “দেশ কবে বিদেশের মতো হবে জানি না, তবে এই পদ্ধতি বাস্তবায়ন করলে কিছুটা হলেও ট্রাফিকের বিশৃঙ্খলা ও জনগণের দুর্ভোগ কমবে বলে আমি বিশ্বাস করি।”

তিনি শেষে উল্লেখ করেন, “এই ব্যবস্থা শুধু বাস নয়, ব্যক্তিগত, সরকারি ও বেসরকারি—সব ধরনের পরিবহনের ক্ষেত্রেই প্রয়োগ করা উচিত। এতে করে শৃঙ্খলা ফিরবে এবং সুফল দ্রুতই চোখে পড়বে ইনশাআল্লাহ।”

তথ্যসূত্রঃ https://www.facebook.com/share/1BsXRLRBqh/

মারিয়া

×