ঢাকা, বাংলাদেশ   রোববার ০৬ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১

ফেরত নেওয়া মানে মিয়ানমারের নাগরিকত্ব দেওয়া বলে মনে করছেন রোহিঙ্গারা

প্রকাশিত: ১৬:০৩, ৫ এপ্রিল ২০২৫; আপডেট: ১৬:০৮, ৫ এপ্রিল ২০২৫

ফেরত নেওয়া মানে মিয়ানমারের নাগরিকত্ব দেওয়া বলে মনে করছেন রোহিঙ্গারা

ছবিঃ সংগৃহীত

১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেওয়ার মিয়ানমারের ঘোষণায় কক্সবাজার ও ভাসানচরের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। রোহিঙ্গারা মনে করছেন, ফেরত নেওয়ার অর্থ হলো মিয়ানমার সরকার তাদের নাগরিক হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছে। এই ঘোষণাকে তাঁরা বাংলাদেশ সরকারের কূটনৈতিক সফলতা হিসেবে দেখছেন।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর থেকে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের ঢল শুরু হয়। বর্তমানে প্রায় ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে বসবাস করছে, যাদের বেশিরভাগই কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলার ৩৮টি আশ্রয় শিবিরে এবং নোয়াখালীর ভাসানচর উপজেলায় অবস্থান করছে।

এই বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক মহলের কাছ থেকেও এই প্রক্রিয়ায় বারবার সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেওয়ার জন্য চিহ্নিত করেছে এবং ৭০ হাজার রোহিঙ্গার পরিচয় যাচাই-বাছাইয়ের কাজ করছে। ২০১৮ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ৮ লাখ রোহিঙ্গার তালিকা মিয়ানমারকে হস্তান্তর করে। সেই তালিকা থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে তারা ফেরত যাওয়ার উপযুক্ত বলে শনাক্ত করেছে।

তথ্যসূত্রঃ https://youtu.be/cLERMlSI60Q?si=VwEjjXjDfo3jI4hx

মারিয়া

×