
ছবি: সংগৃহীত
সাহসিকতার জন্য দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হচ্ছেন জুলাই অভ্যুত্থানে অংশ নেয়া নারীরা। গেল ১লা এপ্রিল মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মর্যাদাপূর্ণ এক সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশের এসব নারী শিক্ষার্থীরা। মেডেলিন অলব্রাইট অনারারি গ্রুপ অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তিকে দেশের নারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক বলছেন তারা।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দমন নিপীড়নের বিরুদ্ধে পুরুষদের পাশাপাশি রাজপথে প্রতিবাদ বিক্ষোভে নামেন নারী শিক্ষার্থীরা। স্বৈরাচার পতনে সেই আন্দোলনে শত বাধা পেরিয়ে জীবনের পরোয়া না করে দেশ জুড়ে প্রতিবাদে নামেন নারীরা। কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের এই সাহসিকতা এবার দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিদেশেও স্বীকৃতি পেল। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মেডেলিন অলব্রাইট অনারারি গ্রুপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন উইমেন স্টুডেন্ট প্রটেস্ট লিডারস অফ বাংলাদেশ। বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন জুলাই নারীরা। এমন স্বীকৃতি দেশের নারীদের এগিয়ে চলার অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে মনে করছেন তারা।
জুলাই অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া নারী সামান্তা শারমিন বলেন, "আমাদের জন্য এটা খুবই জরুরি ছিল যে ইন্টারন্যাশনাল মহলগুলো বাংলাদেশের আপ্রাইজিংকে একটা নতুন সম্ভাবনা হিসেবেই দেখবে। যেই জুলাই কন্যা যে এওয়ার্ডটা আমেরিকা বা স্টেট ডিপার্টমেন্ট থেকে যেটা পার্সু করা হচ্ছে এটা আমরা খুবই পজিটিভলি দেখছি যে মূলত ওয়েস্টার্ন যে বলয়, ব্লক সেখান থেকেই এই আপ্রাইজিংকে নানানভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করার একটা প্রচেষ্টা আছে। সেই জায়গা থেকে কিন্তু আমরা যখন দেখি যে এপ্রিসিয়েশনমূলক কোন এওয়ার্ড আসে সেটাকে আমরা পজিটিভলি দেখছি।"
জুলাই অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া আরেক নারী রুবাইয়া শ্রেষ্ঠা বলেন, "এই ধরনের সম্মাননা মূলত আমাদের আগামী নারীদের আগামীতে নতুন প্রজন্মের জন্য বাংলাদেশ বিনির্মাণের ক্ষেত্রে নারীদের নতুন ধরনের একটি বার্তা হয়ে উঠবে।"
তবে এই স্বীকৃতি তখনই পরিপূর্ণতা পেত যদি ফিলিস্তিনিদের উপর চলমান ইসরায়েলি আগ্রাসনে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন না যোগাতো বলেও জানান শ্রেষ্ঠা।
সূত্র: https://www.youtube.com/watch?v=mS-BXEJi1tM
আবীর