ঢাকা, বাংলাদেশ   শনিবার ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১

পটুয়াখালীতে পুকুরে মিলেছে ৪২ ইঞ্চি লম্বা রাক্ষুসে সাকার

এনামুল হক এনা, উপকূলীয় প্রতিনিধি, বরিশাল

প্রকাশিত: ১৫:৫৮, ৪ এপ্রিল ২০২৫; আপডেট: ১৬:০১, ৪ এপ্রিল ২০২৫

পটুয়াখালীতে পুকুরে মিলেছে ৪২ ইঞ্চি লম্বা রাক্ষুসে সাকার

ছবি: সংগৃহীত

উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালীর দশমিনার একটি পুকুরে বিরল প্রজাতির সাকার মাছ পাওয়া গেছে। যা নিয়ে এলাকা জুড়ে হৈ-চৈ শুরু হয়েছে। প্রায় ৪২ ইঞ্চি লম্বা মাছটির মাথা থেকে লেজ পর্যন্ত ডোরাকাটা দাগ রয়েছে।

আজ শুক্রবার (৪ মার্চ) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ দাস পাড়া গ্রামের রণজিৎ শীলের পুকুরে মাছ ধরতে গিয়ে এ বিরল প্রজাতির মাছ ধরা পরে।

জানা যায়, দশমিনা উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ দাস পাড়া গ্রামের রণজিৎ শীলের পুকুরে শুক্রবার দুপুরে শংকর চন্দ্র শীল এবং নির্মল চন্দ্র শীল সহ বাড়ির লোকজন পুকুরের মাছ শিকার করতে গেলে তাদের জালে বিরল প্রজাতির রাক্ষুসে মাছ সাকার ধরা পরে।

সাকারের শরীরে বাদামী রং, সারা গায়ে সারি সারি ছোট ছোট কাটা এবং ছোট  কালো রঙ্গের বিন্দু বিন্দু ছাপ রয়েছে। এ বৈশিষ্টের কারনে স্থানীয় লোকজন এর নাম দিয়েছন টািগার মাছ। মাছটি ধরা পড়ার পর থেকে এটি দেখতে বাড়ির আশপাশের লোকজন ভিড় জমায়। মাথা থেকে লেজ পর্যন্ত ৪২ ইঞ্চি লাম্বা। মাছটির ওজন প্রায় সাড়ে ৯ শ' গ্রাম।

মাছ শিকারী শংকর চন্দ্র শীল বলেন, বাড়ির পুকুরে মাছ শিকার করতে গেলে আমাদের জালে বিরল প্রজাতির মাছটি ধরা পরে। তবে ধারনা করা হচ্ছে পুকুরের পুর্ব পাশ দিয়ে জোয়ার ভাটা প্রবাহিত খাল রয়েছে। সেই খাল থেকে হয়তো পুকুরে আসতে পারে। জীবিত অবস্থায় মাছটি খালে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে দৈনিক নয়া দিগন্তের দশমিনা উপজেলা সংবাদদাতা সঞ্জয় ব্যানার্জি বলেন, এই মাছটি রাক্ষুসে মাছ এই কারণে যে- এরা ছোটখাটো সব মাছ খেয়ে ফেলে। মূলত সাকার মাছ ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীতে দেখা যায়। আর দশমিনার পুকুরে এর অস্তিত্ব পাওয়া একটু চিন্তার বিষয়।

এ বিষয়ে দশমিনা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহাবুব আলম তালুকদার জানান, মাছটি সাকার মাউথ ক্যাট ফিস নামে পরিচিত। এর বৈজ্ঞানিক নাম হাইপোসটোমাস প্লিকোসপোমাস।  মাছটি না মেরে খালে বা নদীতে অবমুক্ত করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

মেহেদী হাসান

আরো পড়ুন  

×