
বাংলাদেশের ক্রিকেটের লিজেন্ডদের মধ্যে সাকিব আল হাসান এমন এক নাম, যাকে টপ চার্টে রাখলে তার চেয়ে এগিয়ে রাখা যাবে না কাউকে। বাকি সবার চেয়ে তিনি অনেকটাই এগিয়ে। আবার টাইগার ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে সফল অধিনায়ক হিসেবে মাশরাফি বিন মর্তুজার নামটি তো চিরকালই অমলিন থাকবে। তবে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি এবং রাজনীতির মারপ্যাচে এই দুই ক্রিকেট তারকা এখন ক্রিকেট থেকে এক ধরনের নির্বাসনে রয়েছেন।
তাদের কাছ থেকে ক্রিকেটের আর কিছুই কি পাওয়ার নেই? তাদের রাজনীতিতে জড়ানো এবং তাতে যে ভুল তারা করেছেন, তার ফলস্বরূপ এই নির্বাসন কি তাদের ভাগ্যেই লেখা ছিল? আর দিন শেষে দেশের ক্রিকেট এতে কতটা লাভবান হচ্ছে?
এই বিষয়ে ক্রীড়া সংগঠক এবং রাজনীতিবিদ ইশরাক হোসেন বলেছেন, "তাদেরকে তো অনেকটা ধরে নিয়ে বানিয়ে দেওয়া হয়েছে পার্টির থেকে। এবং আমি মনে করি তাদের যদি অন্য কোনো অভিযোগ থাকে, সেটা ইনভেস্টিগেট হোক। তারা আমাদের টিমের প্লেয়ার। এত তাদের অবদান। তাদের বিষয়টা অবশ্যই আলাদাভাবে কনসিডার করা উচিত বলে আমি মনে করি। আমি তো রাজনীতির মাঠের মানুষ, কিন্তু রাজনীতির মাঠে কার কি ভূমিকা ছিল, কে কি করেছে কম-বেশি, খোঁজখবর আমরা রেখেছি।"
ইশরাক হোসেন আরও বলেন, "সাকিব ও মাশরাফি এমপি হয়েছেন। কিন্তু তাদেরকে তো অনেকটা ধরে নিয়ে বানিয়ে দেওয়া হয়েছে পার্টির থেকে। আমি মনে করি তাদের যদি অন্য কোনো অভিযোগ থাকে সেটা ইনভেস্টিগেট হোক। তবে পলিটিক্যালি যে গণহত্যাটা সংঘটিত হয়েছে এবং একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা হয়েছে, সেখানে আমার মনে হয় না তাদের সরাসরি রাজনৈতিক মাঠে কোন ভূমিকা ছিল। তাই তাদেরকে ভিকটিমাইজ করা ঠিক হবে না, আমি মনে করি না তাদের এই কারণে ভিকটিমাইজ করা উচিত। হ্যাঁ, এখন তারা যদি নিজেরা লজ্জিত হন, জনগণের কাছে এসে দুঃখ প্রকাশ করেন।"
ইশরাক হোসেন আরও বলেন, "রাজনীতির মাঠে যতটুকু খোঁজখবর রেখেছি, তারা কোনো ধরনের অপারেশন পলিটিক্যাল অপরেশনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। তাদের এলাকায়ও তাদের কোন সরাসরি ভূমিকা ছিল না। সেখানকার স্থানীয় প্রশাসন আওয়ামি লীগ নেতা। ক্রিকেটে তাদের অনেক অবদান রয়েছে এবং এই সুযোগটা মূলত দিয়েছে সরকার।"
সূত্র:https://tinyurl.com/3kkeevfz
আফরোজা