
ছবি: সংগৃহীত।
জনকণ্ঠের একান্ত সাক্ষাৎকারে চিফ প্রসিকিউটর জনাব তাজুল ইসলাম আয়নাঘর, শেখ হাসিনা ও অন্যান্য নেতাদের দেশে ফিরিয়ে আনা এবং জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে জড়িতদের বিচার কার্যক্রম নিয়ে কথা বলেছেন।
তিনি বলেন, আয়নাঘর পরিদর্শনে চিফ প্রসিকিউটর টিমের ছয় মাস সময় লাগার বিভিন্ন কারণ ছিল। মূল কারণ ছিল তদন্তের প্রাথমিক ধীরগতি। গুম সংক্রান্ত মামলাগুলো দেরিতে আসার ফলে তদন্ত শুরু হতেও বিলম্ব হয়। সেই সময় জুলাই ও আগস্ট মাসে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছিল, যার কারণে আয়নাঘর পরিদর্শন প্রক্রিয়া পরে শুরু হয়।
আয়নাঘর পরিদর্শনে বাধার সম্মুখীন হয়েছে কি না সে ব্যাপারে তিনি বলেন, আয়নাঘর পরিদর্শনে কোনো সরাসরি বাধার সম্মুখীন হননি, যা গুম কমিশন পেয়েছে। তবে কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে। বিশেষ করে গোপন বন্দিশালাগুলোর টর্চার মেকানিজম ধ্বংস করা হয়েছিল, আলামত নষ্ট করার উদ্দেশ্যে রুমগুলোর স্ট্রাকচার পরিবর্তন ও সংকুচিত করা হয়েছিল। এতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-প্রমাণ সংরক্ষণে সমস্যা তৈরি হয়।
চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, বিচার প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে যথাযথ তদন্ত ও প্রমাণ সংগ্রহ অব্যাহত রয়েছে।
সায়মা ইসলাম