
সম্প্রতি ইন্ডিয়া টু’ডের এক অনুষ্ঠানে উপস্থাপক রাজ চেঙ্গাপ্পার উপস্থাপনায় আমন্ত্রণ জানানো হয়, বাংলাদেশের ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনামকে। মাহফুজ আনাম ইন্ডিয়া টু’ডের ‘নাথিং বাট ট্রু’ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে চলমান বেশ কিছু ইস্যু নিয়ে কথা বলেছেন।
দীর্ঘ এ সাক্ষাৎকারে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন মাহফুজ আনাম। উঠে আসে সেনাবাহিনীর প্রসঙ্গও।
সাক্ষাৎকারে উপস্থাপক রাজের বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এই পরিবর্তন প্রক্রিয়ায় পর্দার আড়ালে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এবং তারা ক্রমবর্ধমান সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ২০২৫ সালের মার্চের শুরুর দিকে এক বিরল প্রকাশ্য ভাষণে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সতর্ক করে বলেছিলেন, দেশ এক বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে। এখন প্রশ্ন হলো, সেনাপ্রধানের এই কঠোর সতর্কবার্তা ইউনুসের বেসামরিক নেতৃত্বের প্রতি কতটা গুরুতর ইঙ্গিত বহন করে? এটি কি সম্ভব যে, সামরিক বাহিনীর মধ্যে হস্তক্ষেপের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে?
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এই পরিবর্তন প্রক্রিয়ায় পর্দার আড়ালে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এবং তারা ক্রমবর্ধমান সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ২০২৫ সালের মার্চের শুরুর দিকে এক বিরল প্রকাশ্য ভাষণে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সতর্ক করে বলেছিলেন, দেশ এক বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে। এখন প্রশ্ন হলো, সেনাপ্রধানের এই কঠোর সতর্কবার্তা ইউনুসের বেসামরিক নেতৃত্বের প্রতি কতটা গুরুতর ইঙ্গিত বহন করে? এটি কি সম্ভব যে, সামরিক বাহিনীর মধ্যে হস্তক্ষেপের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে?
প্রশ্নের জবাবে মাহফুজ আনাম বলেন, ‘যদি সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করতে চাইত, তাহলে তাদের জন্য সেরা সুযোগ ছিল যখন হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন এবং ইউনুস তখনও কার্যকরভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেননি।
সেই তিন-চার দিন একটা শূন্যতা তৈরি হয়েছিল। সেনাবাহিনী চাইলে তখনই হস্তক্ষেপ করতে পারত। কিন্তু তারা তা করেনি।’
মাহফুজ আনাম আরো বলেন, ‘বিভিন্ন বক্তৃতায় সেনাপ্রধান বারবার বলেছেন, তারা কেবল ইউনুসের সরকারকে সমর্থন করতেই আগ্রহী। আপনি যে সতর্কবার্তার কথা বলেছেন, আমি মনে করি সেটি যথাযথ সময়েই দেওয়া হয়েছিল।তবে তা শুধু সরকারের প্রতি নয়, বরং ছাত্রদের প্রতিও ছিল, পাশাপাশি দেশের কিছু অস্থিরতা সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর প্রতি।’
তার মতে, সেনাপ্রধানের ভাষা হয়তো কিছুটা কঠোর ছিল, তবে সতর্কবার্তাটি যথাসময়ে এসেছে এবং এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে পরবর্তী ঘটনাগুলোর ওপর। আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি যে, সেনাবাহিনী আসলে তেমন কোনো রাজনৈতিক আগ্রহ দেখায়নি।
।
ফুয়াদ