
ছবি: সংগৃহীত
৯৫ বছরের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়ে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানকে ঘিরে পুরো এলাকায় উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে।
প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের প্রথম পুনর্মিলনীকে স্মরণীয় করে রাখতে বর্ণিল আয়োজনে সাজানো হয় পুরো বিদ্যালয় মাঠ। ঈদের তৃতীয় দিন বুধবার সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত রাখা হয় নানা আয়োজন। পুরনো স্মৃতির কথা মনে করে আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন সাবেক শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষাজীবনের বাল্যবন্ধুদের দীর্ঘদিন পর একত্রে পেয়ে গল্প, হাসি-ঠাট্টা, নাচে গানে মেতে ওঠেন সবাই। স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে তারা ফিরে যান সেই কৈশোর-তারুণ্যের বিদ্যালয় জীবনে।
এই স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে আজ কেউ সচিব, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, গণমাধ্যম কর্মী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, চিকিৎসক, ইঞ্জিনিয়ারসহ দেশের বিভিন্নস্থানে গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন। তাদের অধিকাংশই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে স্মরণ করা হয় প্রয়াত ১২ জন ও অবসরপ্রাপ্ত চারজন শিক্ষাগুরুকে। প্রয়াতদের পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়া হয় মরণোত্তর সম্মাননা স্মারক।
‘প্রিয় শিক্ষাঙ্গণে প্রাণের বন্ধনে’ এই স্লোগানে অনুষ্ঠানে রাখা হয় কবিতা আবৃত্তি, দলীয় নৃত্য, সংগীত, পরিবেশন করা হয় যাদুও। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন ঢাকা, মাদারীপুর, বরিশালসহ বিভিন্ন স্থানের গুণী শিল্পীরা।
সজল বাঘলের সঞ্চালনায় জেলার গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের মেদাকুল বিএমএস ইনস্টিটিউশনের প্রথম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র অধ্যাপক আকন কুদ্দুসুর রহমান।
প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. ইউনুস আলী সিদ্দিকী। এছাড়া, বিশেষ অতিথিদের মধ্যে ছিলেন বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের বিদ্যালয় পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম খান হেলাল, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ও মাদারীপুর-৩ আসনের জনতার নেতা মোঃ আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন প্রমুখ।
রাকিব