
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কমান্ডার মো: মাহবুবুর রহমান। ছবিঃ সংগৃহীত
বাংলাদেশ নৌবাহিনী বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে গৌরবোজ্জল ভূমিকা পালন করে। অপারেশন জ্যাকপট নামে একটি অভিযান বাংলাদেশের নৌবাহিনীর নৌকমান্ডোরা পরিচালনা করে। যে অপারেশনের মাধ্যমে চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, নারায়ণগঞ্জ এবং মোংলা বন্দরে অবস্থিত পাকিস্তান নৌবাহিনীর যুদ্ধ জাহাজ এবং বিভিন্ন ধরণের স্থাপনার উপরে নৌবাহিনীর কমান্ডোরা অভিযান পরিচালনা করে এবং তাদের সামরিক সক্ষমতাকে অনেকাংশেই দুর্বল করে দেয়। যার ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশের বিজয়টা ত্বরান্বিত হয়। বলেছেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কমান্ডার মো: মাহবুবুর রহমান।
বুধবার (২৭ মার্চ) স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা অবগত আছেন, যুদ্ধকালীন সময়ের পাশাপাশি শান্তিকালীন সময়ও আমাদের জাহাজ আমাদের এয়ারক্রাফট, সাবমেরিন এবং স্পেশাল ফোর্সের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা ত্রিমাত্রিক বাহিনী নিয়ে আমরা সদা প্রস্তুত থাকি। আমাদের সাগরে সর্বদা টহল ও মহড়া কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি আমরা যেকোনো ধরণের দুর্যোগ মোকাবিলা করা, শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদান করা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা রক্ষা করা ইত্যাদি কার্যক্রমের মাধ্যমে আমরা আমাদের দেশের অর্থনীতিকেও সর্বদা গতিশীল রাখার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’
উল্লেখ্য, বুধবার (২৬ মার্চ) স্বাধীনতা দিবস পালনের অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম নৌবাহিনীর একটি জাহাজ জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছিলো৷ তরুণ সমাজের মধ্যে নৌবাহিনী এবং যুদ্ধজাহাজ সম্পর্কে ব্যাপক কৌতুহল এবং আগ্রহ কাজ করে। সে কারণেই জাহাজটি এক দিনের জন্য উন্মুক্ত করে দেয় বাংলাদেশ নৌবাহিনী। তারা আশা করে এই পদক্ষেপের মাধ্যমে নানা ধরণের সমরাস্ত্র, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, এছাড়া নেভিগেশন সিস্টেম, হেলিকপ্টার ল্যান্ডিং সিস্টেম, ডাইভিং কার্যক্রমসহ অন্য আরও যেসব রোমাঞ্চকর কার্যক্রম নৌবাহিনী থেকে পরিচালনা করা হয় সে সম্পর্কে তরুণ সমাজ একটি উল্লেখযোগ্য ধারণা লাভ করবে।’
মুমু