
ছবি: সংগৃহীত
সংস্কৃতি অঙ্গনের অগ্রণী ব্যক্তিত্ব, সংগীতজ্ঞ ও ভাষা আন্দোলনের কর্মী সন্জীদা খাতুন মুক্তিযুদ্ধের সময় গান গেয়ে অর্থ উপার্জন করে তা মুক্তিযোদ্ধাদের দান করেছিলেন। বাংলা সংগীত ও সংস্কৃতির অগ্রযাত্রায় তাঁর অবদান অবিস্মরণীয়।
বুধবার (২৬ মার্চ) বেলা আড়াইটায় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষ ফুল, অশ্রু, গান ও কবিতার মাধ্যমে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, শিক্ষকসহ অনেকে সেখানে উপস্থিত ছিলেন। শিল্পীরা পরিবেশন করেন ‘আমার প্রাণের মানুষ আছে প্রাণে’-সহ বেশ কয়েকটি গান।
এর আগের দিন মঙ্গলবার ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।
সন্জীদা খাতুন শুধু ছায়ানটের সভাপতি ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্যই নন, তিনি ছিলেন একজন ভাষাবিদ, মুক্তিযুদ্ধকালীন মুক্তি সংগ্রামী শিল্পী সংস্থার সভাপতি এবং ভাষা আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী। তাঁর মা ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, এবং তিনিও সেই সময় থেকেই সাংস্কৃতিক আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন।
তিনি শান্তিনিকেতনে গবেষণা করেছেন এবং বাংলা সংগীত ও সংস্কৃতির বিকাশে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অনেকেই তাঁকে অভিভাবকের মতো মনে করেন এবং তাঁর দেখানো পথ ধরে নতুন প্রজন্মকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান।
সন্জীদা খাতুনের প্রয়াণ বাংলা সংস্কৃতি ও সংগীত জগতে এক অপূরণীয় ক্ষতি। তবে তাঁর চিন্তা, চেতনা ও অবদান নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার দায়িত্ব সবার, এমনটাই মনে করেন তাঁর কাছের মানুষজন।
https://youtu.be/tBr2lEemOos?si=U_FdtSF8EZYizvic
এম.কে.