
ছবি: সংগৃহীত
সুন্দর ও উজ্জ্বল ত্বক পেতে প্রাকৃতিক উপায়ে যত্ন নেওয়া অন্যতম কার্যকর পদ্ধতি। শত শত বছর ধরে ব্যবহৃত মধু ও হলুদের ফেস মাস্ক ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে, দূষণ ও মানসিক চাপের প্রভাব কমাতে এবং ত্বককে গভীর থেকে পুষ্টি দিতে সহায়ক। এই মাস্ক ব্যবহার করলে রাতারাতি উজ্জ্বল ত্বক পাওয়া সম্ভব।
কেন মধু ও হলুদ উপকারী?
হলুদ – প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা বাড়ায়
ত্বকের কালো দাগ ও রঙের অসমতা দূর করে
মলিন ও নিস্তেজ ত্বক উজ্জ্বল করে
ব্রণ ও ফুসকুড়ি প্রতিরোধ করে
ত্বকের জ্বালা ও সংবেদনশীলতা প্রশমিত করে
মধু – প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার
ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে, ব্রণ প্রতিরোধ করে
দাগ ও দাগের চিহ্ন দূর করতে সহায়তা করে
ত্বকের ইলাস্টিসিটি বাড়িয়ে তারুণ্য বজায় রাখে
হলুদ ও মধু একসঙ্গে ব্যবহার করলে এটি ত্বকের জন্য একটি শক্তিশালী ও কার্যকরী মাস্ক তৈরি করে, যা রাতারাতি ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে।
মধু ও হলুদের মাস্ক তৈরির পদ্ধতি
প্রয়োজনীয় উপকরণ:
১ চা চামচ খাঁটি মধু
½ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো
কয়েক ফোঁটা গোলাপজল (ঐচ্ছিক, অতিরিক্ত সতেজতার জন্য)
তৈরির ও ব্যবহারের নিয়ম:
একটি পরিষ্কার বাটিতে সব উপকরণ ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। মুখ পরিষ্কার করে মাস্কটি সমানভাবে লাগান (চোখের চারপাশ এড়িয়ে চলুন) ১৫-২০ মিনিট রাখুন। উষ্ণ পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন ও নরম তোয়ালে দিয়ে আলতোভাবে মুছে নিন। একটি হালকা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।
ভালো ফল পেতে সপ্তাহে ২-৩ বার ঘুমানোর আগে এই মাস্ক ব্যবহার করুন। হলুদ কিছুক্ষণের জন্য ত্বকে হালকা হলুদ দাগ ফেলে দিতে পারে। যদি এমন হয়, তাহলে তুলার প্যাডে গোলাপজল বা দুধ নিয়ে মুখ মুছে নিন। মাস্ক ব্যবহারের আগে অবশ্যই প্যাচ টেস্ট করুন, যাতে ত্বকে কোনো এলার্জি না হয়। দীর্ঘ সময় মাস্ক লাগিয়ে রাখা হলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে, তাই ১৫-২০ মিনিটের বেশি রাখবেন না।
মধু ও হলুদের মাস্ক হলো উজ্জ্বল, মসৃণ ও স্বাস্থ্যকর ত্বকের জন্য একটি সহজ ও কার্যকর ঘরোয়া সমাধান। এর অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও উজ্জ্বলতাবর্ধক উপাদানসমূহ ত্বকের জন্য কার্যকরী, যা ক্ষতিকর রাসায়নিক ছাড়াই ত্বকের স্বাভাবিক সৌন্দর্য ধরে রাখতে সহায়তা করে। নিয়মিত ব্যবহার করলে রাতারাতি উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত ত্বক পাওয়া সম্ভব।
ফারুক