
ছবি: সংগৃহীত
শিশুদের সকালবেলা সঠিক অভ্যাস গড়ে তুললে তাদের মনোযোগ ও শেখার দক্ষতা বাড়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক রুটিন অনুসরণ করলে শিশুরা স্কুলে আরও মনোযোগী ও উৎপাদনশীল হতে পারে। নিচে ১০টি গুরুত্বপূর্ণ সকালের অভ্যাস দেওয়া হলো যা শিশুদের একাগ্রতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে।
১. পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা
ভালো ঘুম মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শিশুকে পর্যাপ্ত ঘুম পেতে সাহায্য করতে রাতের রুটিন নির্ধারণ করা উচিত।
২. দিনের পরিকল্পনা করা
সকালে স্কুলের কাজ বা দিনের কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করলে শিশুদের মানসিক প্রস্তুতি বাড়ে এবং উদ্বেগ কমে।
৩. স্বাস্থ্যকর নাশতা খাওয়ানো
সকালের খাবার শক্তির মূল উৎস। প্রোটিন, ভালো ফ্যাট ও কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেটসমৃদ্ধ নাশতা শিশুর মনোযোগ ধরে রাখতে সাহায্য করে।
৪. হালকা ব্যায়াম বা স্ট্রেচিং করা
হালকা ব্যায়াম রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে, যা শিশুর মস্তিষ্ককে সজাগ ও কর্মক্ষম রাখে।
৫. যথাযথ পানি পান করা
পর্যাপ্ত পানি পান মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত করে এবং শিশুর ক্লান্তিভাব কমায়।
৬. গ্যাজেট ব্যবহারের সময় সীমিত করা
সকালে অতিরিক্ত মোবাইল বা টিভি দেখা শিশুর মনোযোগ কমাতে পারে। তাই এটি নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।
৭. মেডিটেশন বা শ্বাস-প্রশ্বাসের অনুশীলন
গভীর শ্বাস নেওয়া ও সংক্ষিপ্ত মেডিটেশন মনোযোগ ও মানসিক প্রশান্তি বাড়ায়।
৮. স্কুল ব্যাগ ও প্রয়োজনীয় জিনিস আগের রাতে গুছিয়ে রাখা
আগের রাতে প্রস্তুতি নিয়ে রাখলে শিশুরা সকালে চাপমুক্ত থাকে এবং সময় বাঁচে।
৯. ইতিবাচক কথাবার্তা ও অনুপ্রেরণা দেওয়া
সকালে অভিভাবকদের ইতিবাচক কথাবার্তা শিশুর আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং শেখার আগ্রহ তৈরি করে।
১০. প্রাকৃতিক আলোতে কিছু সময় কাটানো
সকালের সূর্যের আলো শিশুর মস্তিষ্ককে সজাগ ও কর্মক্ষম রাখে, যা স্কুলে মনোযোগ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
এই অভ্যাসগুলো প্রতিদিনের রুটিনে সংযোজন করলে শিশুরা আরও মনোযোগী ও কর্মঠ হয়ে উঠবে, যা তাদের স্কুলে ভালো ফলাফল করতে সহায়তা করবে।
কানন