
ছবিঃ সংগৃহীত
দক্ষিণ গাজায় গত মাসে ১৫ জন জরুরি সেবাকর্মী নিহত হওয়ার ঘটনায় একমাত্র জীবিত প্রত্যক্ষদর্শী ফিলিস্তিনি প্যারামেডিক মুনথের আবেদ বলেন, তিনি নিজ চোখে দেখেছেন কীভাবে ইসরায়েলি সেনারা রক্তমাখা জরুরি গাড়িগুলোর ওপর গুলি চালিয়েছে।
দীর্ঘ কয়েকদিন তাদের খোঁজ না পাওয়ার পর, ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট ও জাতিসংঘ কর্মকর্তারা দক্ষিণ গাজায় একটি গণকবরে ১৫ জন জরুরি ও ত্রাণকর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ তোলেন তারা। এখনো একজন কর্মী নিখোঁজ রয়েছেন।
আবেদ, যিনি ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্টের একজন স্বেচ্ছাসেবী, জানান, গত ২৩ মার্চ ভোরে রাফাহ শহরের কাছে এক বিমান হামলার পর আহতদের সাহায্য করতে গিয়ে তিনি এবং তার দুই সহকর্মী ইসরায়েলি সেনাদের দ্বারা আটক হন। এরপরই সেনারা অন্যান্য জরুরি যানবাহনের ওপর গুলি ছোড়ে।
তিনি বলেন, “আমরা সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাই। গিয়ে দেখি গুলি চলছে এবং তারা (সেনারা) আমাদের আটক করে। এরপর আমি আমার দুই সহকর্মীকে দেখতে পাইনি।”
আবেদ বলেন, আটক থাকা অবস্থায় তিনি দেখেন, আরও কিছু জরুরি গাড়ি সেনাদের অবস্থানের দিকে এগিয়ে আসছে।
তিনি বলেন, “আমি সিভিল ইমারজেন্সি সার্ভিসের গাড়িটি দেখতে পাই। সেনারা তখনই গাড়িগুলোর ওপর প্রবল গুলিবর্ষণ শুরু করে। আমাকে নিচু হয়ে থাকতে বলে তারা গুলি চালাতে থাকে। মনে হচ্ছিল গুলি যেন আমার গায়েই লাগছে।”
এই ঘটনাটি রেড ক্রিসেন্ট এবং জাতিসংঘ কর্মকর্তাদের বক্তব্যের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ, যারা দাবি করেছেন যে ইসরায়েলি সেনারা রেড ক্রস, রেড ক্রিসেন্ট, জাতিসংঘ ও ফিলিস্তিনি সিভিল ইমারজেন্সি সার্ভিসের কর্মীদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
সূত্রঃ রয়টার্স
ইমরান