
ছবিঃ সংগৃহীত
গত কয়েকদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। কে কাকে কিভাবে কণ্ঠাসা করবে, সেই ভাবনায় মত্ত বিশ্বরাজনীতি। এরই মাঝে খবর এলো যে, ভারত মহাসাগরে ডিয়েগো গার্সিয়া দ্বীপে অবস্থিত একটি সামরিক ঘাঁটিতে পারমাণবিক বোমারু বিমান মোতায়ন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এটি ইয়েমেন বা ইরান আক্রমণের জন্য যথেষ্ট কাছাকাছি, যা স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত করছে যে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের প্রথম ধাপ অতিক্রম করতে যাচ্ছে। যেভাবেই হোক, ইরানকে দমন করতে বদ্ধপরিকর বিশ্বমোড়ল যুক্তরাষ্ট্র।
২রা এপ্রিল পেন্টাগনের এক বিবৃতিতে জানা গেছে এই তথ্য। মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পেন্টাগনের নৌবাহিনীর শক্তি বৃদ্ধির জন্য অতিরিক্ত যুদ্ধবিমান মোতায়ন করার সিদ্ধান্ত নেন। পেন্টাগনের সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে নির্দিষ্ট বিমানগুলোর নাম উল্লেখ করা না হলেও, মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, অন্তত চারটি B-2 বোমারু বিমান মার্কিন-যুক্তরাজ্য যৌথ সামরিক ঘাঁটিতে স্থানান্তরিত হয়েছে, যা ইয়েমেন বা ইরান আক্রমণের জন্য যথেষ্ট কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে।
এর আগেও বিভিন্নভাবে ইরানকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। পেন্টাগনের মুখপাত্র শাউন পার্নেল বিবৃতিতে বলেন, "মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার অংশীদাররা আঞ্চলিক নিরাপত্তা রক্ষার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।" তিনি আরও যোগ করেন, "প্রতিরক্ষা সচিব স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, যদি ইরান বা তার প্রতিনিধিরা আমাদের কর্মী এবং স্বার্থকে হুমকি দেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র আমাদের জনগণকে রক্ষা করার জন্য সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ নেবে।"
এদিকে, গত কয়েকদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বোমা হামলার হুমকি দেওয়ার পর, ২ এপ্রিল ইরান-সংলগ্ন অঞ্চলে পারমাণবিক বোমারু বিমান মোতায়ন করল যুক্তরাষ্ট্র। এখন দেখার বিষয়, এই পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়। মার্কিন প্রেসিডেন্টের মনোভাব স্পষ্ট— ইরান পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ না করলে, তাকে ছাড় দেওয়া হবে না। তবে ইরানও ঠান্ডা মাথায় চাল দিচ্ছে। খামেনির ভাষায়, "সময়মতো যুক্তরাষ্ট্র উচিত জবাব পেয়ে যাবে।"
ইমরান