
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশের স্বার্থ আছে এমন কোম্পানির উপর নিষেধাজ্ঞা দিলেন নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জড়িয়ে আছে ইরানের নাম।
ইরানের পেট্রোলিয়াম সম্পর্কিত পণ্য পরিবহন ও বাণিজ্যে সহায়তাকারী হিসেবে অভিযুক্ত ৩০ টিরও বেশি সংস্থা ও জাহাজের উপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে আছে সংযুক্ত আরব আমিরাত ভিত্তিক অকটেন এনার্জি গ্রুপ এফজেড সিও, যারা বাংলাদেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সরবরাহ করে থাকে।
এই নিষেধাজ্ঞার ফলে দেশের জ্বালানি আমদানি নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন উদ্বেগ। এই সংকট কিভাবে কাটানো হবে সেটি এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
চট্টগ্রাম বন্দর সূত্র বলছে, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রাপ্ত নথিপত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। নথি অনুযায়ী, এলপিজিটি ওমান থেকে সংগ্রহ করা হলেও, বহনকারী জাহাজটি ইরানি মালিকানাধীন ছিল। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক থাকায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আইন অনুসারে এ ধরনের কার্গো গ্রহণ করা যায়।
অকটেন এনার্জির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠানগুলোকেও নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে পড়তে হতে পারে। বাংলাদেশ শিপিং বিভাগ বলছে, নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত কোম্পানির সঙ্গে ব্যবসা করা বাংলাদেশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এমনকি, এসব কোম্পানির পণ্য বহনকারী জাহাজগুলোকেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় ফেলা হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র শুধুমাত্র অকটেন এনার্জির ওপরেই নয়, ইরানের পেট্রোলিয়াম বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত আরো কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। এর মধ্যে আছে, ইরান ভিত্তিক কঙ্গা পেট্রো রিফাইনিং কোম্পানি, ভারতীয় প্রতিষ্ঠান বিএসএম মেরিন এলএলপি, অস্টিনশিপ ম্যানেজমেন্ট, কসমস লাইন্স ইনক, আমিরাত ভিত্তিক অ্যালকনোস্ট মেরিটাইম ডিএমসিসি, মালয়েশিয়া ভিত্তিক আইএমএস লিমিটেড এবং সিসিলিস ভিত্তিক ওশেন এন্ড শিপিং লিমিটেড।
এই সংস্থাগুলোকে ইরানি পেট্রোলিয়াম ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উল্লেখযোগ্য লেনদেনে জড়িত থাকার অভিযোগে মার্কিন নির্বাহী আদেশে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গেল ২৪ ফেব্রুয়ারি, এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র।
শিলা ইসলাম