
যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা এবং পশ্চিমা বিশ্বের নানা চাপের মধ্যেও সামরিক ও প্রতিরক্ষা খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করছে ইরান। এই পরিস্থিতিতে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দিয়েছে ইসরায়েল। তবে এই হুমকিকে কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান।
দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকি বলেন, "ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে পশ্চিমা সমালোচনা উদ্ভট ও অযৌক্তিক।" তিনি আরও বলেন, পশ্চিম এশিয়া অঞ্চল দখলদার শক্তির দ্বারা আক্রান্ত। দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েল আগ্রাসন ও আইনবিরোধী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। তাই নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা সর্বোচ্চ পর্যায়ে উন্নীত করা ইরানের জন্য শুধু দায়িত্ব নয়, বরং একান্ত অপরিহার্য।
তেহরান বারবার জোর দিয়ে বলছে, তাদের সামরিক অগ্রগতি কেবল প্রতিরোধমূলক, যা মূলত ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি মোকাবিলার জন্য। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, "যেকোনো আলোচনার জন্য ইরান উন্মুক্ত থাকলেও শক্তিশালী দেশগুলোর চাপে কখনোই মাথা নত করবে না।"
তিনি তেহরান প্রদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শহরগুলোর রাষ্ট্রীয় সংস্থার পরিচালকদের সঙ্গে এক বৈঠকে আরও বলেন, ইরান কখনোই এমন দলগুলোর সঙ্গে আলোচনায় বসবে না যারা নারী ও শিশুদের বোমাবর্ষণের মাধ্যমে হত্যা করে, অথচ একই সময়ে মানবাধিকারের কথা বলে।
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামিনীর নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানান প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান। পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞার প্রভাব কমাতে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
সূত্র:https://tinyurl.com/nkxyr92u
আফরোজা