
শিলিগুড়ি করিডর, যা চিকেনস নেক নামে বহুল পরিচিত
শিলিগুড়ি করিডর, যা চিকেনস নেক নামে বহুল পরিচিত। এ অঞ্চল নিয়ে এখন বেশ দুশ্চিন্তায় ভারত। চিকেনস নেক যেন কিছুতেই হাতছাড়া না হয় সে জন্য বিশেষ সামরিক ব্যবস্থা নিয়েছে দেশটি। ভারতের সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি শহরের চারপাশে অবস্থিত একটি বিস্তৃত ভূমি এই চিকেনস নেক । ২০-২২ কিলোমিটার (১২-১৪ মাইল) সংকীর্ণতম অংশে অবস্থিত এই ভূরাজনৈতিক এবং ভূ-অর্থনৈতিক করিডরটি উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্যকে ভারতের বাকি অংশের সঙ্গে সংযুক্ত করে। করিডরের পাশে নেপাল এবং বাংলাদেশ অবস্থিত এবং করিডরের উত্তর প্রান্তে ভুটান রাজ্য অবস্থিত। সিকিম রাজ্য পূর্বে করিডরের উত্তর দিকে অবস্থিত ছিল। রাজনৈতিক মারপ্যাঁচে ১৯৭৫ সালে ভারতের সঙ্গে একীভূত হয় সিকিম।
চিকেনস নেকের নিরাপত্তার বিষয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনী জানিয়েছে, শিলিগুড়ি করিডর তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা লাইন। উন্নত সামরিক প্রস্তুতির মাধ্যমে যে কোনো সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলা করতে তারা প্রস্তুত। করিডরের কাছে সুকনায় সদর দপ্তর অবস্থিত ত্রিশক্তি কর্পসের, যা এই অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই কর্পস রাফায়েল যুদ্ধবিমান, ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র এবং উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাসহ অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত।
ভারতীয় সেনাপ্রধানের সাম্প্রতিক বক্তব্য করিডরের নিরাপত্তার বিষয়ে ভারতের অবস্থানকে আরও জোরদার করেছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, চিকেনস নেক ভারতের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক অঞ্চল। সেখানে যেকোনো হুমকির ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ, সিকিম এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বাহিনীকে দ্রুত মোতায়েন করা সম্ভব।
চিকেনস নেক ভারত কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে তা সেখানকার সামরিক উপস্থিতিতে স্পষ্ট। ইন্ডিয়া টুডে এর একটি বর্ণনা হাজির করেছে। এই অঞ্চলে নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর পদক্ষেপ-
উন্নত সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েন
ভারতীয় বিমানবাহিনী মিগ বিমানের পাশাপাশি হাশিমারা বিমানঘাঁটিতে রাফায়েল যুদ্ধবিমানের একটি স্কোয়াড্রন মোতায়েন করেছে।