
ছবি: সংগৃহীত
আমাদের ভালো অনুভব, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য বজায় রাখতে এবং দৈনন্দিন কাজের জন্য সেরা কার্যকারিতা অর্জন করতে পর্যাপ্ত ঘুম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদিও মাঝে মাঝে কম ঘুমানো সমস্যা নয়, তবে একটি নিয়মিত ঘুমের সময়সূচী বজায় রাখা জরুরি।
বিজ্ঞান কী বলে? বিজ্ঞান অনুযায়ী, রাতের সময়ে ঘুমানো সবচেয়ে ভালো। সাধারণত, রাত ১০টা থেকে ১২টার মধ্যে ঘুমাতে যাওয়া এবং সকাল ৭টা নাগাদ ওঠা সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর। তবে, কিছু মানুষের জন্য এটি ভিন্ন হতে পারে।
সার্কেডিয়ান রিদম
আমাদের শরীরের ঘড়ি বা সার্কেডিয়ান রিদম শরীরের প্রাকৃতিক ২৪ ঘণ্টার চক্র। এটি আলো ও অন্ধকারের প্রতি প্রতিক্রিয়া জানায় এবং ঘুমের চক্র, শরীরের তাপমাত্রা, হরমোন নিঃসরণ, খিদে এবং পেটভরার মতো কাজগুলো নিয়ন্ত্রণ করে।
একটি নিয়মিত ঘুমের সময়সূচী কেন গুরুত্বপূর্ণ? নিয়মিত ঘুমানোর সময়সূচী বজায় রাখা আমাদের স্বাস্থ্য এবং মেজাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত ঘুমের অভাব মানসিক সমস্যা, ডায়াবেটিস, স্থূলতা এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
স্বাস্থ্যকর ঘুমের জন্য টিপস
-
প্রতিদিন একই সময়ে ওঠার জন্য অ্যালার্ম সেট করুন, সপ্তাহান্তে ও ছুটির দিনেও
-
নিয়মিত ব্যায়াম করুন, সকাল বা দুপুরের আগে
-
ঘুমানোর ৩ ঘণ্টা আগে অ্যালকোহল পরিহার করুন
-
ঘুমানোর ৬ ঘণ্টা আগে ক্যাফেইন এড়িয়ে চলুন
-
রাতে ভারী খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন
-
২০-৩০ মিনিটের বেশি ন্যাপ নেবেন না
ঘুমের গুণগত মান কেন গুরুত্বপূর্ণ?
যদি আপনি পর্যাপ্ত ঘুম না ঘুমান, তাহলে আপনি ক্লান্তি, মনোযোগের অভাব, মেজাজের ওঠানামা এবং আরও অনেক শারীরিক ও মানসিক সমস্যা অনুভব করতে পারেন। দীর্ঘমেয়াদে খারাপ ঘুম ডায়াবেটিস, ডিপ্রেশন, হার্টের রোগ এবং এমনকি ক্যান্সারের কারণ হতে পারে।
সূত্র: https://snoremd.com.au/best-time-to-sleep-according-to-science/?srsltid=AfmBOoo_FGfLjBX24ApAZmfWi9YPfXdvOU1u_OBxO66_FeJ5JUt3rHzT
আবীর