ঢাকা, বাংলাদেশ   রোববার ২৭ এপ্রিল ২০২৫, ১৪ বৈশাখ ১৪৩২

সর্দি-কাশি দূর করার ঘরোয়া উপায়

প্রকাশিত: ০২:৪৬, ২৮ জানুয়ারি ২০২৫

সর্দি-কাশি দূর করার ঘরোয়া উপায়

ছবি: সংগৃহীত

ঋতু পরিবর্তনের সময় সর্দি-কাশি, জ্বরের মতো সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। তবে প্রতিবারই এই ধরনের সমস্যায় ভয়ের কোনো কারণ নেই। করোনা সংক্রমণ ছাড়াও সাধারণ সর্দি-কাশি হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে ওষুধ বা অ্যান্টিবায়োটিকের উপর নির্ভর না করে সহজ কিছু ঘরোয়া উপায় মেনে সর্দি-কাশি দূর করা সম্ভব।

 

পেঁয়াজ

সর্দি-কাশি দূর করার অন্যতম কার্যকর উপাদান হলো পেঁয়াজ। মাঝারি আকারের একটি পেঁয়াজ কুচি করে ছয়-আট ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এতে দুই-তিন চামচ মধু মিশিয়ে দিনে দুইবার খান। এটি শিশুদের জন্যও খুব উপকারী।

রসুন

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে দুই কোয়া কাঁচা রসুন এবং আদা চিবিয়ে খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। রসুনের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে।

 

মধুর মিশ্রণ

গরম পানিতে মধু, লেবুর রস ও আদার রস মিশিয়ে দিনে দুইবার পান করুন। এটি কফ ও গলা ব্যথা উপশমে সহায়ক।

আদা

এক টুকরো আদায় লবণ মিশিয়ে মুখে রেখে চিবান। এটি সর্দি-কাশিতে আরাম দেবে। তুলসী পাতা এবং মধুর সঙ্গে আদার রস মিশিয়ে খাওয়া যেতে পারে।

 

হলুদ চা

হলুদে থাকা কারকিউমিন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। মধু ও লেবুর সঙ্গে হলুদ মিশিয়ে চা তৈরি করে পান করলে ব্যথা উপশমেও উপকার পাওয়া যায়।

মসলা চা

আদা, দারচিনি, লবঙ্গ, এলাচি, তুলসী পাতা ও গোলমরিচ দিয়ে মসলা চা তৈরি করুন। এটি অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিভাইরাল উপাদানে ভরপুর, যা শরীরকে রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।

 

গ্রিন স্মুদি

পালংশাক, আম, আনারস, লেবুর রস, আদা এবং দই দিয়ে তৈরি গ্রিন স্মুদি ভিটামিন ‘এ’, ‘সি’ এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর। এটি শরীরকে সতেজ রাখে।

হানি লেমনেড

আদা, দারচিনি, রসুন, পুদিনা এবং লেবুর রস দিয়ে ফুটিয়ে মধু মিশিয়ে তৈরি করুন হানি লেমনেড। এটি গলা ব্যথা এবং শ্লেষ্মা কমাতে কার্যকর।

কাড়া

তুলসী, লবঙ্গ, দারচিনি, আদা, জোয়ান, হলুদ এবং কালো মরিচ পানিতে ফুটিয়ে মধু বা গুড় মিশিয়ে কাড়া তৈরি করুন। এটি সর্দি-কাশি প্রতিরোধে সাহায্য করে।

 

প্রাকৃতিক উপাদানের সাহায্যে এই উপায়গুলো মেনে চললে সর্দি-কাশি থেকে দ্রুত মুক্তি পাওয়া সম্ভব। তবে দীর্ঘস্থায়ী বা গুরুতর সমস্যায় অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

তাবিব

×