রচনা ব্যানার্জী
বিরসা মুণ্ডার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার হুগলি সফরে গিয়েছিলেন রচনা ব্যানার্জী। পোলবা দাদপুর ব্লকের কৃষি খামার প্রাঙ্গণে এদিন আদিবাসী অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়। সেখানে উপস্থিত হয়েই জেলাবাসীকে কার্তিক পুজার শুভেচ্ছা জানানোর সময়ে রচনা জানান, তার বাড়িতে কখনও কার্তিক পুজো হয়নি। কেন? নেপথ্যের কারণও ফাঁস করলেন সাংসদ-অভিনেত্রী নিজেই।
শনিবার (১৬ নভেম্বর) কার্তিক পুজা। কার্তিক পূর্ণিমার আগে অনেকেই বাড়িতে দেবশিশুর মূর্তি ফেলার চল রয়েছে। সাধারণত সন্তান কামনা করে সদ্যবিবাহিতদের বাড়িতেই ফেলা হয় কার্তিক। আর যে বাড়িতে মূর্তি ফেলা হবে, সেই বাড়িতে পুজোর আয়োজন করতেই হয়। কিন্তু রচনার বাড়িতে কোনওদিন কেউ কার্তিক ফেলেনি। কাজেই অভিনেত্রীর বাড়িতে সেই পুজোর চলও নেই।
এদিন, দাদপুরে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে বিরসা মুণ্ডার জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানের সূচনা করেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। হুগলির সাংসদ-অভিনেত্রীর সঙ্গে ছিলেন আরামবাগের সাংসদ মিতালি বাগ, ধনিয়াখালির বিধায়ক অসীমা পাত্রও। অনুষ্ঠানের সূচনার পর মঞ্চ থেকে নেমে তাঁরা আদিবাসী রমণীদের হাত ধরে বাজনার তালে নাচ করেন।
এর পরই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রচনা জানান, জগদ্ধাত্রী পুজোর সময়ে কখনও চন্দননগরে আসা হয়নি। তবে এবার জেলায় তিন তিনটে জায়গার পুজোতে গিয়েছেন তিনি। আগামী বছর থেকে জগদ্ধাত্রী পুজোয় চন্দননগরে থাকার ইচ্ছেও রয়েছে তারা। তবে এবার বাঁশবেড়িয়ার কার্তিক পুজোতে যাওয়া হবে না বলে আক্ষেপও করলেন। সেই সময়েই রসিকতা করে রচনার মন্তব্য, আমার বাড়িতে কোনওদিন কার্তিক পড়েনি।” পাশাপাশি ছেলের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, আমার বাড়িতে যে কার্তিক রয়েছে, সে নিজের পুজার ব্যবস্থা নিজেই করে নেবে।
এম হাসান