
শরীয়তপুরের জাজিরায় শনিবার দুই পক্ষের সংঘর্ষের সময় হাতবোমার ব্যাপক বিস্ফোরণ ঘটানো হয়
শনিবার সকালে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বিলাশপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় ১৬ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে কামাল হোসেন ও বিজয়কে উন্নত চিজন্য ঢাকা ম্যোল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। শহর আলী মাদবর ও রিজু বেপারিকে জাউপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে র্ভ করা হয়েছে।
সন্ধ্যায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার বা কোনো বোমা উদ্ধার করতে পারেনি। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ জায়েছে। ঘটনাস্থলে অক্ত পুমোতায়েন করা হয়েছে। তবে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। পুগ্রেপ্তারের ভয়ে এলাকা পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিলাশপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল বেপারি ও স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা জলিল মাদবর সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।
এরই জেরে শনিবার সকালে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের সময় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় উভয় গ্রুপের সমর্থকরা টেঁটা, রাম দা, ঢাল, সড়কিসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এ সময় সংঘর্ষকারীরা প্রায় ২ শতাধিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, হাতবোমা বিস্ফোরণের বিকট শব্দে এলাকা প্রকম্পিত হয়ে ওঠে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে চলা এই বিরোধ থামাতে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপের অভাবেই বারবার এমন সংঘর্ষ ঘটছে। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় সেনাবাহিনী, র্যাব ও পুলিশ সদস্যরা টহল দিচ্ছে। জাজিরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দুলাল আখন্দ বলেন, “বহুদিন ধরে কুদ্দুস ও জলিল গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ঈদ পুনর্মিলনীর সময় এ ষংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
শরীয়তপুরের অক্ত পুসুপার আমাহমুদ বলেন, সংঘর্ষের সংবাদ শুনে আমরা ঘটনাস্থলে উপস্থত হই এবং পস্থ নিয়ন্ত্রণ করি। বর্তমানে পস্থিতি শান্ত রয়েছে। পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এলাকায় পুলিশের টহল জোরদার থাকবে।