
গেল ৪ এপ্রিল “ডিমলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কমিটিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, পদত্যাগ ও অবমূল্যায়নের অভিযোগ” শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। বিক্ষোভ সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন জেলা এবং উপজেলায় কেউ গুরুত্বপূর্ণ পদপদবি ও সদস্য পদেও নেই। তারা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানার ব্যবহার করে বিক্ষোভ করে।
বিক্ষোভ সমাবেশ ও প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে নীলফামারী জেলা ডিমলা উপজেলা কমিটি নিয়ে তৈরি হওয়া উদ্ভূত বিতর্ক সৃষ্টিকারীদের জেলা কমিটির পক্ষ থেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
সেই জিজ্ঞাবাদে প্রশ্ন করা হয়, ডিমলা উপজেলার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কমিটিতে ত্যাগীরা বাদ পড়েছেন তার জন্য ব্যানার নিয়ে রাস্তায় তারা বিক্ষোভ সমাবেশ করে। তাদের প্রশ্ন করা হয় কোন ত্যাগী আন্দোলনকারী এবং ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দুর্নীতির সাথে যুক্ত নয় এমন ত্যাগী আন্দোলনকারী বাদ পড়েছে? এমন প্রশ্নে তারা কোনো উত্তর দিতে পারে নি। এমনকি কয়েকজন নিজেই স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করে আবার নিজেরাই পদবঞ্চিত বলে ঘোষণা দিচ্ছে। তবুও আমাদের জেলা কমিটির পক্ষ থেকে যদি কেউ বাদ পড়ে থাকে তাহলে কমিটিতে সংযোজন করার সুযোগ আছে। এছাড়াও বিক্ষোভকারী জেলার নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজী করার অভিযোগ তুলে। অভিযোগের সত্যতার জন্য প্রমাণ হিসেবে তথ্য চাওয়া হলে বিক্ষোভকারী কোনো সত্যতা দিতে পারে নি।
অভিযোগকারী কথিত বিক্ষোভকারীরা আমাদের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নামে সংগঠনকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করার কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে? তার সঠিক জবাব পাওয়া যায়নি বিক্ষোভকারীদের নিকট থেকে। জেলার নেতৃবৃন্দ স্পষ্ট হয় যে, বিক্ষোভকারীরা দুর্নীতিবাজদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে গিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সংগঠনের নামে এবং জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দের নামে বিরূপ মন্তব্য বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে ছাত্রজনতা এবং সাধারণ জনগণের কাছে সংগঠনকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করেছে। এর সম্পূর্ণ দায়ভার বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীদের উপর বর্তায়।
এহেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ডিমলা উপজেলার ৩৮৯ জনের তালিকা দেখে নানা মহল থেকে প্রশ্ন এসেছে। ডিমলায় আন্দোলন নেই তাহলে এত লম্বা তালিকা কেন? বালাপাড়া, ডালিয়া, ডিমলা সদরে আন্দোলন হয়েছে এবং বাকী ইউনিয়ন থেকে যারা সারাদেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আন্দোলন করছে তাদের কমিটিতে রাখা হয়েছে। ডিমলা উপজেলায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, মাদকের বিরুদ্ধে ব্লকেড কর্মসূচি, শ্রমিকদের দাবি আদায়, সাধারণ শিক্ষার্থীদের মেধাবিকাশের শিশু সাহিত্য পত্রিকা শিশু কথা প্রকাশসহ নানা ধরনের রাষ্ট্র সংস্কারের গঠন মূলক কাজ গুলো করে যাচ্ছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ডিমলা উপজেলার নেতৃবৃন্দ। এসব ভালো কাজ যারা সহ্য করতে পারছে না। তারাই কমিটির পদবঞ্চিত নাম করে বিরূপ মন্তব্য বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। ডিমলা উপজেলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন যে কোনো ন্যায়সঙ্গত আন্দোলনে সাধারণ জনগণকে সাথে কাজ করবে। সেই সাথে প্রকাশিত সংবাদটি গঠনমূলক ভাবে প্রকাশ করা উচিত ছিল। জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ শাকিল প্রধানসহ সকলের বিরুদ্ধে বির্তকিত করেছে। যারা বিতর্ক সৃষ্টি করছে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ইন্ধনদারের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া লড়াই চালিয়ে যাব।