
ছবি: জনকণ্ঠ
জুলাইয়ের যোদ্ধা আশিকুর রহমান হৃদয়ের নামাজের জানাজা আজ শনিবার সকাল ৯টায় তার গ্রামের বাড়ি বাউফল সদর ইউনিয়নের যৌতা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।
বাউফল ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মাওলানা আব্দুল সোবাহান জানাজায় ইমামতি করেন।
জানাজার নামাজে সহস্রাধিক মুসুল্লিরা অংশ নেয়
জানাজার নামাজের শুরুতে সৌদিয়াআরব থেকে হৃদয়ের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে ভার্চুয়ালী বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ও বাউফল উন্নয়ন ফোরাম ও বাউফল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
তিনি জুলাই বিপ্লবের সৈনিক মৃত হৃদয়ের পরিবারের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।
জানাজার নামাজে বাউফল ইউনিয়ন জামায়াতের নেতৃবৃন্দ, এনসিবির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহবায়ক ও সুপ্রিম কোর্টের সহকারী অ্যাটনী জেনারেল মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন উপস্থিত ছিলেন।
হৃদয়ের জানাজার নামাজে বিএনপির নেতৃবৃন্দসহ উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের কর্তা ব্যক্তিরা কেউ উপস্থিত ছিলেননা।
জানাজা শেষে হৃদয়কে পারিবারিক গোরস্তানে দাফন করা হয়।
উল্লেখ হৃদয় ঢাকায় নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করতো। গত ১৮ জুলাই যাত্রাবাড়ী এলাকায় ফ্যাসিস্ট হাসিনা হটাও বিপ্লবে যোগ দিতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন। হৃদয়ের মাথায় তিনটি গুলি লাগে।
ফ্যাসিস্ট হাসিনার দোসরদের ভয়ে হৃদয় আত্মগোপনে থেকে চিকিৎসা নেয়।
গত ৫ আগস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর হৃদয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তিহন। চিকিৎসকরা তার মাথা থেকে দুইটি গুলি বেড় করলেও একটি গুলি বেড় করতে পারেননি।
হৃদয়ের বাবা আনছার হাওলাদার রিকশা চালিয়ে পরিবারের ভরনপোষন যোগাতেন। তাই ছেলের উন্নত চিকিৎসার সুযোগ হয়নি।
বাড়ি বসে হৃদয় মৃত্যুর প্রহর গুনছিলেন। গত বুধবার হৃদয় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পরেন। মাথায় প্রচন্ড ব্যাথা হচ্ছিল। অর্থের অভাবে তাকে চিকিৎসার জন্য ওই দিন হাসপাতালে নিতে পারেননি।
পরের দুন বৃহস্পতিবার দুপুরে হৃদয়কে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করলে বিকাল তিনটায় হৃদয় পৃথিবীর মায়াত্যাগ পরকালে পারি জমান।
শিহাব