
ছবি : সংগৃহীত
বন্দরের হরিপুর বঙ্গশাসন এলাকায় আসামি ধরতে গেলে পুলিশের একটি টিমকে অবরুদ্ধ করে মারধর করার অভিযোগ রয়েছে। এ সময় তারা পুলিশকে দীর্ঘ সময় আটকে রাখে। টিমের নেতৃত্ব দেওয়া সিভিল ড্রেসে থাকা এস আই হুমায়ূন কবিরসহ পুলিশ সদস্যদের হেনস্তা করা হয়। পরে এলাকাবাসী মাইকে ডাকাত পড়েছে ঘোষণা দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায় এবং পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করে। এতে পুলিশের এ এস আই আসাদুজ্জামান আহত হয়। এ সময় উশৃৃঙ্খল গ্রামবাসী ও আসামির আত্মীয়-স্বজনরা পুলিশের বহনকারী পিকআপ ভ্যান ও একটি সিএনজি ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে। মঙ্গলবার দিরাগত রাত দুইটার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে। এদিকে পুলিশকে অবরুদ্ধ করে ডাকাত কেন ছেড়ে দিলেন এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, গ্রামবাসী পুলিশ সদস্যদের গাড়ির মধ্যে আটকে রেখে নানা প্রশ্নে জর্জরিত করছেন।
এ ব্যাপারে বন্দর থানার ওসি জানান, হরিপুর এলাকায় মামলার এজাহার নামীয় এক আসামি অবস্থান করছে এমন সংবাদ পেয়ে বন্দর থানার এস আই হুমায়ুন কবিরের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ওই বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় এস আই হুমায়ুন কবির সিভিল ড্রেসে ছিল। বাকি পুলিশ সদস্যরা পোশাক পরিহিত ছিল। এ সময় ওই বাড়ি সার্চ করে পুলিশ চলে এসে গাড়িতে বসলে ছয়-সাতজন যুবক গাড়ির সামন এসে দাঁড়ায় এবং পুলিশকে চ্যালেঞ্জ করে আপনারা যেতে পারবেন না। এ সময় তাদের একজন পাশের মসজিদে গিয়ে মাইকিং করে গ্রামে ডাকাত পড়েছে। পরে স্থানীয় জনতা এসে পুলিশকে ঘিরে ফেলে অবরুদ্ধ করে রাখে। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়।