
ছবি: সংগৃহীত
রংপুরের কাউনিয়ায় মাদরাসা শিক্ষার্থী দোলা মনি নিখোঁজের ৪১ দিন পর সেফটি ট্যাংকি থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী। শুক্রবার ২৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ।
বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের মধ্য ধর্মেশ্বর মহেশা (বিজলের ঘুণ্টি) গ্রামের আফজাল হোসেনের সেফটি ট্যাংক থেকে এ মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতের পরিবার ও সেনাবাহিনীর সূত্রে জানা যায়, কুর্শা ইউনিয়নের মধ্য ধর্মেশ্বর মহেশা (বিজলের ঘুণ্টি) গ্রামের মোঃ দেলোয়ার মিয়ার মেয়ে ও মাদরাসার শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থী দোলা মনি (৪) বাড়ির লোকজনের অগোচরে ৪১ দিন পূর্বে শুক্রবার বিকেলে বাড়ি থেকে উঠানে বের হয়। কিছুক্ষণ পর তাকে বাড়িতে দেখতে না পেয়ে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করে। কিন্তু কোথাও তাকে খুঁজে না পাওয়ায় এ ব্যাপারে কাউনিয়া থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করে ভুক্তভোগীর পরিবার।
নিখোঁজের দীর্ঘ ৪০ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরেও দোলা মনির খোঁজ না পাওয়ায় বৃহস্পতিবার ২৭ ফেব্রুয়ারি কাউনিয়া ও পীরগাছা সেনাবাহিনীর ক্যাম্পে দেলোয়ার হোসেন লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এরপর রংপুর ৭২ বিগ্রেডের অধীনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ৩০ বেঙ্গল ইউনিটের ক্যাপ্টেন মেহেদী হাসান নিয়নের নেতৃত্বে একটি সেনাবাহিনীর চৌকস টিম অভিযান পরিচালনা করে বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে দীর্ঘ সাত ঘণ্টা সাঁড়াশি অভিযানের মাধ্যমে দোলা মনির মরদেহ উদ্ধার করে। পরে কাউনিয়া থানায় হস্তান্তর করেন। এ সময় হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে নুরুল ইসলাম (৫০), আফজাল হোসেন (৪২), সুমন মিয়া (২৩) ও আনোয়ারা বেগম (৫৬) সহ সাতজনকে আটক করে কাউনিয়া থানায় হস্তান্তর করে সেনাবাহিনী।
এ বিষয়ে কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ বলেন, এ ব্যাপারে একটি হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।
আবীর