ঢাকা, বাংলাদেশ   শুক্রবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩১

বদির ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে

অনলাইন রিপোর্টার

প্রকাশিত: ০৩:৫৬, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

বদির ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা এখনো ধরা ছোঁয়ার বাইরে

ছবি: প্রতীকী

পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে একটি সংঘবদ্ধ চক্র কক্সবাজারের ইনানী মৌজায় মেরিন ড্রাইভ এর জন্য কয়েক শত একর জমি অধিগ্রহণ এর  সরকারী ক্ষতিপূরণের টাকা জালিয়াতির মাধ্যমে  তুলে নেয়। 
 
অধিগ্রহণকৃত জমির প্রকৃত মালিকদের ভূয়া নাম দিয়ে, দলিল জালিয়াতি করে ডিসি অফিস থেকে ক্ষতিপূরণ এর কয়েকশো কোটি টাকা তুলে নেয় এই চক্রটি। পরে প্রকৃত জমির মালিকরা বিষয়টি জানতে পারলে ব্যাপারটি দুদক পর্যন্ত গড়ায়। পরবর্তীতে সংঘবদ্ধ চক্রের এই  জালিয়াতি দুদকের তদন্তে ধরা পরে। এই মামলায় অন্যতম হোতা হিসেবে মহেশখালীর বাসিন্ধা সালাউদ্দিন ২০২৩ সালের মার্চ মাসে গ্রেফতার হয়। তার গ্রেফতারের পর পুরো বিষয়টি জনসম্মুখে সর্বপ্রথম আসে। দণ্ডবিধির জামিন অযোগ্য মামলায় গ্রেফতার হলেও তিন মাস পর উখিয়া টেকনাফের সাবেক এমপি  ইয়াবা বদির জোর তৎপরতায় সালাউদ্দিন জামিন পায়। 

 সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন মায়া, তথ্যমন্ত্রী মো: আরাফাত এর নাম ভাঙিয়ে এই সব জায়গা দখল করে নেয় তারা। ইতোপূর্বে ৭ নং ওয়ার্ডের ইমামের ডেইল গ্রামের প্রাচীন একটি কবরস্থানের জায়গা ভূয়া দলিল জালিয়াতির মাধ্যমে সালাউদ্দিন নিজের নামে নিয়ে দখল নেয়। ওই এলাকায় সালাউদ্দিনের সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে এলাকাবাসী বর্তমানে ওই কবরস্থানে এখন আর কারো কবর দেননা।
 
উখিয়া টেকনাফ এর সাবেক এমপি বদি গ্রেফতার হলেও তার ইয়াবা বাণিজ্য এখনও অটুট রয়েছে। বদির ছত্রছায়ায় ইনানী মৌজার সোয়ানখালী, মনখালী, চেবটখালি, ইমামের ডেইল, রূপপতি, বাইলা খালি, পাটুয়ার টেক, মাদার বুনিয়া এলাকার মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন বিস্তৃত সরকারি খাস জায়গা দখল করে নেয় এই সালাউদ্দিন চক্র। এইসব এলাকায়  অবৈধ স্থাপনা, ঘরবাড়ি বানিয়ে রোহিঙ্গাদের ভাড়া দিয়ে নিজের দখলনসত্ব কায়েম করে নিয়েছে সালাউদ্দিন। 


উল্লেখ্য এইসব রোহিঙ্গাদের ব্যবহার করে ইনানী মৌজার মনখালী ও সোয়ানখালী এলাকার খাস জমিতে গড়ে উঠা কিছু ঘরবাড়ীকে ইয়াবার গোডাউন বানিয়ে ব্যবহারের অভিযোগ আছে। অবৈধ কাজের বিনিময়ে রোহিঙ্গাদের আর্থিক সুবিধা দিয়ে  সালাউদ্দিন এখন রাজা সালাউদ্দিন বলে তাদের কাছে পরিচিত!

শহীদ

×