
ছবিঃ দৈনিক জনকণ্ঠ
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, ‘আগামী নির্বাচন হবে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের, গণতান্ত্রিক সংবিধান প্রতিষ্ঠার, রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানের সংস্কার ও জনগণের পক্ষের আইন তৈরির নির্বাচন। আগামীর সংসদ আমাদের লড়াইয়ের জায়গা। আমরা সেই লড়াই চালিয়ে যাব।’
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রাম করেছেন। বর্তমান রাজনৈতিক বন্দোবস্ত আমাদের সংকট–সংঘাত ছাড়া আর কিছুই দিতে পারে নাই। তার বিরুদ্ধেই ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে। জনতার স্পষ্ট বার্তা, এই বন্দোবস্ত আর চলবে না। আমাদের নতুন বন্দোবস্ত লাগবে।’
নতুন বন্দোবস্তের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে জোনায়েদ সাকি আরও বলেন, ‘নতুন বন্দোবস্ত তৈরি করতে হয়। এটার মানে কী? এটার মানে হচ্ছে ক্ষমতা কীভাবে চলবে। ক্ষমতা চালানোর নিয়মটা কী? ক্ষমতা কি জমিদারি করে, নাকি ক্ষমতার কেন্দ্র হচ্ছে জনগণ। ক্ষমতাকে অবশ্যই জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হবে। কোনটা চাই, ওই জমিদারি নাকি জবাবদিহি? আগামী দিনের ক্ষমতা হবে জবাবদিহির ক্ষমতা। আর সেটাই নতুন বন্দোবস্ত।’
মো. হান্নান উদ্দিন সরকারের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য বাচ্চু ভূইয়া, ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈকত আরিফ, নারায়ণগঞ্জ জেলা গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়ক অঞ্জন দাস প্রমুখ।