
ছবি: সংগৃহীত
গত কয়েক বছর ধরে রাজধানীতে সপরিবারে বা বন্ধুরা মিলে বাইরে সেহরি খাওয়ার প্রবণতা বেশ চোখে পড়ে। আবার অনেকে সেহরি পার্টিও করে থাকেন। এজন্য ইফতারের পাশাপাশি সেহরিতেও নানা খাবারের আয়োজন করে থাকে হোটেল রেস্তোরাগুলো। চলুন জেনে আসি ঢাকার কোন হোটেলগুলো রোজায় সেহেরির সময় খোলা পাওয়া যাবে।
রাজধানীতে সেহরি খাওয়ার জন্য যে যে খাবার হোটেল গুলো খোলা থাকবে সেগুলো হলো- পূর্ণিমা রেস্তরা, মিরপুর ২; রাব্বানী হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট মিরপুর১০; বেনারসী পল্লী শাখা ৪; আমজাদ রেস্তরা, ৯২ সিআর দত্ত রোড; মিতালি হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট, ৭৮/১ নিজামুদ্দিন রোড; হোটেল আল রাজ্জাক, বংশাল; ক্যাফে-ডি-তাজ, ৬৩/ক মগবাজার চৌরাস্তা ইত্যাদি।
এছাড়া সেহরির জন্য পুরান ঢাকার আলাউদ্দিন রোড, ঠাটারি বাজার, নাজিরাবাজার, বংশাল ইত্যাদি এলাকার হোটেল গুলোর নাম ডাক আছে। তাছাড়াও সেহরির আয়োজন থাকে- আল ইসলাম, ক্যাফে ইউসুফ, ঘরোয়া, মামুন বিরিয়ানি, খন্দকার হোটেল ইত্যাদি রেস্তোরাঁয়। আরও জানা যায় গুলশান, বনানীসহ বা রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকার কয়েকটি হোটেল ও রেস্টুরেন্টও সেহরির জন্য বিশেষ সুব্যবস্থা রয়েছে।
বেশিরভাগ হোটেলের মেনুতে থাকছে সাদা ভাত, গরু-খাসি-চিকেন বিরিয়াননি, নান রুটি, সবজি, রুই মাছ, রূপচাঁদা, পাবদা, ইলিশ, মুরগি ঝাল ফ্রাই, খাসির রেজালা মসুরের ডাল ইত্যাদি। খাবার শেষে ডেজারট হিসেবে পাবেন মজাদার ফিরনি ও চা।
প্রায় সব হোটেলেই সেহরি খাওয়া শুরু হয় রাত সাড়ে বারোটা বা একটা থেকে খোলা থাকে সেহরির শেষ সময় পর্যন্ত।
সূত্র: https://youtu.be/IZYcQC1d2Vk?si=eMCkQb0xLu6KIfIn
এমটি