ঢাকা, বাংলাদেশ   বৃহস্পতিবার ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১

Hotel ad
Hotel ad
adbilive
adbilive
১০১ দিন পর সাকার গোল

১০১ দিন পর সাকার গোল

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা পুনরুদ্ধারে এবার অনেক এগিয়ে লিভারপুল। ২৯ ম্যাচ থেকে ৭০ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলে সবার উপরে অবস্থান করছে অলরেডরা। তবে হাল ছাড়ছে না তাদের পরেই থাকা আর্সেনাল। মঙ্গলবার ফুলহ্যামের বিপক্ষেও ২-১ গোলে জয় তুলে নিয়েছে মাইকেল আর্তেতার দল। ফলে ৩০ ম্যাচ থেকে ৬১ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুই নম্বরে রয়েছে গানাররা। আর্সেনালের জয়ের দিনে হেরে গেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। নটিংহ্যাম ফরেস্টের মাঠ থেকে এদিন তারা ১-০ গোলে হার নিয়ে বাড়ি ফিরেছে। ফলে ৩০ ম্যাচ থেকে ৩৭ পয়েন্ট নিয়ে এই মুহূর্তে টেবিলের ১৩ নম্বরে রয়েছে রোবেন আমোরিমের দল। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে মঙ্গলবার নিজেদের মাঠে ফুলহ্যামকে স্বাগত জানায় আর্সেনাল। নিজেদের সমর্থকদের সামনে ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলে মাইকেল আর্তেতার দল। ৩৭ মিনিটেই এনওয়ারির পাস থেকে গোল করে স্বাগতিক সমর্থকদের উচ্ছ্বাসের জোয়ারে ভাসান মারিনো। দ্বিতীয়ার্ধে চোট কাটিয়ে দীর্ঘদিন পর মাঠে ফিরেই গোলের দেখা পান বুকায়ো সাকা। ৭৩ মিনিটে মার্টিনেলির ক্রস থেকে হেড করে জাল কাঁপান এই ইংলিশ উইঙ্গার। যদিওবা শেষ মুহূর্তে ফুলহ্যামের হয়ে সান্ত¦নার এক গোল শোধ করেন মুনোজ। ফলে ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে গানাররা।  এদিকে, নটিংহ্যাম ফরেস্টের বিপক্ষে ম্যাচ শুরুর মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যেই এলেঙ্গার গোলে পিছিয়ে পড়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। এর পর আর গোল না হলে ১-০ ব্যবধানে হার নিয়েই মাঠ ছাড়ে রেড ডেভিলরা। এর ফলে ১৯৯১-৯২ মৌসুমের পর প্রথমবারের মতো এক আসরে ইউনাইটেডের বিপক্ষে দুইবারই জয়ের স্বাদ পেল নটিংহ্যাম।

ধেয়ে আসছে ‘মহাভূমিকম্প’, লাখো মানুষের মৃত্যুর শঙ্কা!

ধেয়ে আসছে ‘মহাভূমিকম্প’, লাখো মানুষের মৃত্যুর শঙ্কা!

ভয়াবহ ‘মহাভূমিকম্প’ ও সুনামির আশঙ্কায় কাঁপছে জাপান। দেশটির সরকারি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই দুর্যোগে প্রাণ হারাতে পারেন তিন লক্ষাধিক মানুষ, আর্থিক ক্ষতি হতে পারে দুই লাখ কোটি ডলার, যা জাপানের মোট জিডিপির অর্ধেকের সমান। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদন অনুসারে, সোমবার জাপান সরকার একটি সতর্কতামূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, দক্ষিণ জাপানের ‘নানকাই ট্রফ’ অঞ্চলে ৮ থেকে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানতে পারে। গবেষকদের মতে, এই ভূমিকম্পের ফলে ৩০ থেকে ৩৪ মিটার উচ্চতার সুনামি সৃষ্টি হতে পারে, যা উপকূলীয় অঞ্চল শিজুওকা, কোচি ও ওয়াকায়ামাকে তছনছ করে দিতে পারে। ২০১১ সালে ভয়াবহ ভূমিকম্প, সুনামি ও ফুকুশিমা পারমাণবিক বিপর্যয়ের পর থেকেই বড় ধরনের ভূমিকম্পের আগাম সতর্কতা জারি করা শুরু করে জাপান সরকার। এবার ‘নানকাই ট্রফ’-এর ভয়াবহ কার্যকলাপের কারণে বিশেষজ্ঞরা নতুন করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ৩০ বছরের মধ্যে এই এলাকায় ৮-৯ মাত্রার ভূমিকম্পের আশঙ্কা ৭০-৮০ শতাংশ। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, ফিলিপিন্সের সমুদ্র প্লেট ইউরেশিয়ান প্লেটের নিচে সরে গেছে এবং এতে প্রচণ্ড টেকটোনিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে, যা ৯.১ মাত্রার ভূমিকম্প সৃষ্টি করার শক্তি সঞ্চয় করেছে। গবেষণায় আরও জানা গেছে, ‘নানকাই ট্রফ’-এ ৭-এর বেশি মাত্রার ভূমিকম্প হলে এক সপ্তাহের মধ্যে স্বাভাবিকের তুলনায় ১০০-৩৬০০ গুণ ভূমিকম্প হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। জাপান সরকার ইতোমধ্যেই সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি কমাতে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ভূমিকম্পের সম্ভাবনা মাথায় রেখে ১২.৩ লাখ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, আগাম প্রস্তুতি ছাড়া এই দুর্যোগ মোকাবিলা সম্ভব নয়। টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূকম্পবিদ নাওশি হিরাতা বলেন, “প্রস্তুতির সময় এখনই। যখন মাটি কাঁপতে শুরু করবে, তখন নয়।” জাপানে ক্রমশই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে। ভূমিকম্প ও সুনামির ধ্বংসাত্মক প্রভাব থেকে রক্ষা পেতে সরকার ও নাগরিকরা সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছেন।

করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জারদারি

করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জারদারি

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারির শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বুধবার (২ এপ্রিল) প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আসিম হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট জারদারি স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে সব ধরনের সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডা. হোসেন। তিনি আরও জানান, প্রেসিডেন্ট জারদারিকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং তার স্বাস্থ্যের অবস্থা মূল্যায়নের জন্য একাধিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। চিকিৎসক দল সার্বক্ষণিক তার অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছে এবং যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করছে। এর আগে, স্বাস্থ্যগত জটিলতার কারণে প্রেসিডেন্ট জারদারিকে নওয়াবশাহ থেকে করাচির একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সূত্র: জিও নিউজ

সয়াবিন তেলের দাম বাড়াতে কারসাজি করা হচ্ছে

সয়াবিন তেলের দাম বাড়াতে কারসাজি করা হচ্ছে

সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে একলাফে ১৮ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করেছেন ভোজ্যতেল পরিশোধন কারখানার মালিকরা। এরই মধ্যে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনকে বিষয়টি লিখিত জানিয়েছে বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। ঈদের ছুটির আগে শেষ কর্মদিবস গত বৃহস্পতিবার ট্যারিফ কমিশনে এ বিষয়ে চিঠি দিয়ে সুকৌশলে অস্বাভাবিক দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করছেন ব্যবসায়ীরা। কারণ ওই চিঠিতে তারা জানিয়েছেন, ১ এপ্রিল থেকে এ বর্ধিত দাম কার্যকর হবে। অথচ পুরো সময় সরকারি ছুটি থাকায় এর মধ্যে দাম বৃদ্ধির বিষয়টি পর্যালোচনার সুযোগ থাকছে না সরকারের। দাম বাড়ানোর কারণ হিসেবে আমদানি পর্যায়ে শুল্ককর অব্যাহতির মেয়াদ শেষ হওয়াকে উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও শুল্ককরের এ হিসাবেও রয়েছে নয়-ছয়ের অভিযোগ। ফলে শুল্ককর অব্যাহতির মেয়াদ শেষ হলেও দাম বাড়ানোর প্রয়োজন আছে কি না, অথবা কতটা দাম বাড়ানো উচিত সে বিষয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সরকারের অনুমোদন ছাড়া সয়াবিন তেলের দাম বৃদ্ধি বেআইনি। তবে দীর্ঘদিন সে আইনের তোয়াক্কা করেননি ভোজ্যতেল পরিশোধন কারখানার মালিকরা। বিগত সরকারের সময় দফায় দফায় এভাবে ট্যারিফ কমিশনে চিঠি দিয়ে দাম বাড়ানো হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে না জানিয়েও দাম বাড়িয়েছে। তবে এবার হুট করে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তের কারণ হিসেবে বলা হয়েছে সরকারের দেওয়া শুল্ককর অব্যাহতির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া। যদিও গত ১৮ মার্চ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চেয়ারম্যানকে ভোজ্যতেলের দাম সহনীয় রাখতে আমদানি পর্যায়ে অব্যাহত শুল্ক-কর রেয়াত আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করেছে ট্যারিফ কমিশন। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসেনি ঈদের ছুটি শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত। এর মধ্যে শেষ কর্মদিবসে এমন দাম বাড়ানোর ঘোষণা সরকারের সংস্থাগুলোকে বাড়তি চাপে রাখার জন্য বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীরা বলছেন, এ সময়ে (১ এপ্রিলের মধ্যে) ভ্যাট অব্যাহতির মেয়াদ বাড়ানো হলে দাম আগের মতোই থাকবে। আর যদি শুল্ক-কর রেয়াতের এই সুবিধা উঠে যায়, তাতে আমদানি খরচ বাড়বে। ফলে দাম বাড়ানো ছাড়া আর উপায় থাকবে না। এসব বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আমদানি ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য (আইআইটি) দপ্তরের অতিরিক্ত সচিব আব্দুর রাজ্জাক বলেন, দাম বাড়ানোর প্রস্তাব তারা নিজেরা কার্যকর করলে সেটি সরকার অনুমোদিত হবে না। দাম বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন করা হয় বৈঠক করে। যা এখনো অনুষ্ঠিত হয়নি। দাম সহনীয় রাখতে গত ১৫ ডিসেম্বর সয়াবিন তেল আমদানি, উৎপাদন ও ব্যবসায়ী পর্যায়ে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট ছাড়ের মেয়াদ ৩১ মার্চ পর্যন্ত বাড়ায় সরকার। তবে ওই সময় কিন্তু ভোজ্যতেলের দাম কমায়নি কোম্পানিগুলো। বরং সে সময় বিশ্ববাজারে দাম বৃদ্ধির কথা বলে দেশের বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে প্রতি লিটারে ৮ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। শুল্ক-কর রেয়াতের কারণে ভোজ্যতেল আমদানিতে কোম্পানিগুলোর সাশ্রয় হয়েছে প্রতি লিটারে ১১ টাকা। কিন্তু এখন শুল্ক-কর রেয়াত উঠে যেতেই ১৮ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। অর্থাৎ শুল্ক-করের এ খেলায়ও লিটারে ৭ টাকা বাড়তি মুনাফা করতে চায় কোম্পানিগুলো। ওই সময় বিভিন্ন হিসাবে দেখা যায়, শুল্ক-কর রেয়াতের কারণে ভোজ্যতেল আমদানিতে কোম্পানিগুলোর সাশ্রয় হয়েছে প্রতি লিটারে ১১ টাকা। কিন্তু এখন শুল্ক-কর রেয়াত উঠে যেতেই ১৮ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। অর্থাৎ শুল্ক-করের এ খেলায়ও লিটারে ৭ টাকা বাড়তি মুনাফা করতে চায় কোম্পানিগুলো। এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ব্যবসায়ীরা বলেন, শুল্কছাড়ের এ সুবিধা উঠে গেলে কোম্পানিগুলো লোকসানে পড়বে। কারণ, বিশ্ববাজারে সয়াবিন তেলের দাম বেশি। এ ছাড়াও বিশ্ববাজারে দামের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আরও কয়েক মাস থাকবে। সবকিছু মিলিয়েই দাম বাড়ানোর প্রস্তাব কিছুটা বাড়িয়ে করা হয়েছে। কারণ, একবার দাম বাড়ালে কয়েক মাস আর বাড়ানো সম্ভব হবে না। সয়াবিন তেলের এ অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের খরচ বাড়বে। শুধু ভোজ্যতেলের পেছনে সংসারের খরচ মাসে অন্তত ১০০ টাকা বেড়ে যাবে। বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম সর্বশেষ গত ৯ ডিসেম্বর বাড়ানো হয়েছিল। তখন লিটারপ্রতি দাম নির্ধারণ করা হয় ১৭৫ টাকা।  আগামী ১ এপ্রিল থেকে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯৩ টাকা। সেই হিসাবে লিটারে দাম বাড়ছে ১৮ টাকা। পাঁচ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৩৫ টাকা। একইভাবে খোলা সয়াবিন ও খোলা পাম তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে লিটারপ্রতি ১৭০ টাকা। বর্তমানে সরকার নির্ধারিত দাম লিটারপ্রতি ১৫৭ টাকা। এ হিসাবে খোলা সয়াবিন ও পাম তেলের দাম বাড়ছে লিটারপ্রতি ১৩ টাকা।

সোনার দাম বেড়েছে ১৪ বার

সোনার দাম বেড়েছে ১৪ বার

চলতি বছর রেকর্ড দাম বেড়েছে স্বর্ণের। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এখন প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা যা, অতীতে কখনো দেখা যায়নি। শুধু তাই নয়, বছরের প্রথম তিন মাসে সোনার দাম বেড়েছে ১৪ বার আর কমেছে তিনবার। সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও দিন দিন সোনা যেন আরও মূল্যবান হচ্ছে। ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এখন দেড় লাখ টাকার ওপরে। অথচ এক বছর আগে এই সময়ে তা ছিল ১ লাখ ১১ হাজার টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে ভরিপ্রতি (২২ ক্যারেট) সোনার দাম বেড়েছে প্রায় ৪৭ হাজার টাকা। মূলত বিশ্ববাজারে সোনার দাম বাড়ছে। সেই সঙ্গে দেশেও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সোনার দাম। আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম নিয়মিত ওঠানামা করে থাকে। তবে সম্প্রতি যে হারে দাম বাড়ছে, সে হারে আর কমছে না। এ কারণে সোনার মূল্যস্তর ক্রমে ঊর্ধ্বমুখী। দেশে সোনার দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি বা বাজুস। সংগঠনটি নিয়মিতই সোনার হালনাগাদ দাম প্রকাশ করে থাকে। বাজুস চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে (জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ) মোট ১৭ বার সোনার দাম পরিবর্তনের কথা জানিয়েছে। এর মধ্যে দাম বাড়ানো হয়েছে ১৪ বার; দাম কমানো হয়েছে মাত্র ৩ বার। বছরের শুরুতে ১৫ জানুয়ারি সোনার দাম বাড়ানো হয়। তখন ভরিপ্রতি (২২ ক্যারেট) দাম হয় ১ লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৩ টাকা। সর্বশেষ গত ২৮ মার্চ সোনার দাম বাড়ানোর কথা জানায় বাজুস। এই দফায় দাম বাড়ার পরে সোনার দাম হয়েছে ভরিপ্রতি (২২ ক্যারেট) ১ লাখ ৫৭ হাজার ৮৭২ টাকা। দেশের বাজারে এটিই এখন পর্যন্ত সোনার সর্বোচ্চ বা রেকর্ড দাম। ফলে দেখা যাচ্ছে, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে ভরিপ্রতি সোনার দাম ১৮ হাজার ৪২৯ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এ ছাড়া বর্তমানে ২১ ক্যারেট মানের সোনার দাম ১ লাখ ৫০ হাজার ৬৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেট মানের সোনা ১ লাখ ২৯ হাজার ১৬৭ টাকায় ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৬ হাজার ৫৩৯ টাকা। কেন দাম বাড়ছে ॥ সোনা বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় না। দেশের বাজারে যে সোনা পাওয়া যায়, তার সবই আমদানি করা। ফলে বিশ্ববাজারে সোনার দাম বাড়লে দেশেও বাড়ে। সর্বশেষ গত ৩১ মার্চ পর্যন্ত বিশ্ববাজারে সোনার দাম আউন্সপ্রতি ৩ হাজার ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে। প্রতি সপ্তাহেই সোনার দাম নতুন রেকর্ড গড়ছে। মূলত এ কারণেই বাংলাদেশ, ভারতসহ সব দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ছে। নানা কারণেই সোনার দাম বাড়ছে।

রেমিটেন্সে রিজার্ভ পঁচিশ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

রেমিটেন্সে রিজার্ভ পঁচিশ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

বিদেশী অর্থ রেমিটেন্সের কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ এখন ২৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ঈদ উদ্যাপনে মা-বাবা ও আত্মীয়স্বজনকে এবার রেকর্ড বিদেশী অর্থ বা রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। মূলত তাদের রেমিটেন্সে বাড়ছে রিজার্ভ।  ঈদের আগে মার্চ মাসে রেকর্ড রেমিটেন্সের পর এবার রিজার্ভ নিয়ে সুখবর দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। মাস শেষ হওয়ার আগেই দেশের মোট রিজার্ভ ছাড়িয়েছে ২৫ বিলিয়ন ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দেওয়া তথ্যনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) দেশের মোট রিজার্ভের পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ২৫ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার।  বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব অনুযায়ী, বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে দেশে রিজার্ভের পরিমাণ ২০ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ডলার। নিট রিজার্ভ গণনা করা হয়, আইএমএফের বিপিএম-৬ পরিমাপ অনুসারে। গ্রস রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বাদ দিলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ পাওয়া যায়।  মার্চের ৯ তারিখ এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) আমদানি বিল বাবদ ১৭৫ কোটি ডলার পরিশোধ করায় গ্রস রিজার্ভ নেমে আসে ২৫ বিলিয়নের নিচে এবং বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ২০ বিলিয়নের থেকেও কমে যায়। আকুর বিল পরিশোধের পর বিপিএম-৬ এর মান অনুযায়ী দেশের রিজার্ভ হয়েছিল ১৯ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার, যা এ কয়দিনে আবার ২০ বিলিয়ন ডলারের ওপরে উঠে এসেছে। এর আগে মার্চে প্রথম ২৬ দিনে দেশে এসেছে ২ দশমিক ৯৪ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স; যা দেশের ইতিহাসে যে কোনো মাসের তুলনায় সর্বোচ্চ।

শেষ মুহূর্তে রাজধানীর সব আউটলেটে জমজমাট বেচাকেনা

শেষ মুহূর্তে রাজধানীর সব আউটলেটে জমজমাট বেচাকেনা

শেষ মুহূর্তে ঈদের কেনাকাটায় ব্র্যান্ডের পাঞ্জাবি ও টি-শার্ট কিনতে আউটলেটগুলোতে উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে আড়ং, ইজি, কান্ট্রি বয়, লারিভ কোম্পানির নামডাক বেশি শোনা যাচ্ছে। সবগুলো আউটলেটেই জমজমাট বেচাকেনা। ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী পোশাক দিতে পেরে খুশি বিক্রয়কর্মীরাও। শনিবার রাজধানীর বেশ কয়েকটি আউটলেট ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। দেশব্যাপী পরিচিত পোশাকের ব্র্যান্ড আড়ংয়ের শো রুমে দেখা গেছে উপচেপড়া ভিড়। শাড়ি, পাঞ্জাবি, ছোট বাচ্চাদের বাহারি পোশাক পাওয়া যায় এই আউটলেটে। মগবাজার শাখার বিক্রয়কর্মী বলেন, ‘এবারের ঈদে আমাদের এই আউটলেটে বেচাকেনা অনেক ভালো। ইতোমধ্যে আমাদের পাঞ্জাবি স্টক আউট হয়ে গেছে। নতুন করে আবার আসছে।’ আড়ংয়ে  ‘পাঞ্জাবি ছাড়াও ছোট বাচ্চাদের অনেক রকম পোশাক রয়েছে। রয়েছে শাড়ি। ১ হাজার ৩০০ থেকে শুরু করে লাখ টাকার ওপরে শাড়ির কালেকশন রয়েছে। বিক্রিও হচ্ছে ভালো।’ আড়ং থেকে ক্রেতারা স্বাচ্ছন্দ্য ও ভালো মানের পোশাক পায় এ কারণে চাহিদা বেশি থাকে। আড়ংয়ে পোশাক কিনতে আসা বেসরকারি এক ব্যাংকের কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান জনকণ্ঠকে বলেন, ‘আমাদের পছন্দের তালিকায় আড়ং সবার ওপরে থাকে। এ কারণে এখানে এসেছি। আজকে প্রথম ঈদ শপিং করতে বের হয়েছি। এখান থেকে আমি ও আমার ছেলের জন্য পাঞ্জাবি কিনব। আড়ংয়ের পাঞ্জাবি আমার কাছে অনেক পছন্দের। ঈদে সাধারণত আড়ং থেকে পাঞ্জাবি কিনে থাকি। তাই এবারও আসছি।’ আড়ংয়ের বিপরীতে আরেক ব্র্যান্ডের আউটলেট কান্ট্রি বয়। সেখানে দেখা যায় ক্রেতাদের অনেক ভিড়। এই আউটলেটের ব্যবস্থাপক (ম্যানেজার) বাপ্পি দাস বাংলা বলেন, ‘এবারের ঈদে কেনাবেচা খারাপ না। ভালোই চলছে। তবে অন্যান্য ঈদের তুলনায় কিছুটা কম মনে হচ্ছে। তবে যেহেতু এখনো সময় আছে বিক্রি আরও বাড়বে।’ বাপ্পি বলেন, ‘আমাদের এখানে শার্ট, ছোট বাচ্চাদের পোশাক বেশি বিক্রি হচ্ছে।’ সারা ব্র্যান্ডের আউটলেটে দেখা যায় নানা রকমের পাঞ্জাবি, শার্ট, মেয়েদের বাহারি পোশাক। কথা হয় বিক্রয়কর্মী বখতিয়ারের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমাদের পাঞ্জাবি বেশি চলছে। বিশেষ করে গ্রামীণ চেকের পাঞ্জাবিগুলোর কাটতি অনেক বেশি। ছোট-বড় সব রকমের কালেকশন রয়েছে।’ বখতিয়ার বলেন, ‘পাঞ্জাবির পাশাপাশি শার্টও ভালোই চলছে।’